সময় কলকাতা ডেস্ক : “পার্পল হার্টস” সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই ফেলেছে আলোড়ন।রোমান্স নির্ভর “পার্পল হার্টস” এলিজাবেথ অ্যালেন রোজেনবাউমের পরিচালনা। অভিনয়ে আছেন সোফিয়া কারসন এবং নিকোলাস গ্যালিটজাইন। চলচ্চিত্রটি উল্লিখিত প্ল্যাটফর্মে ১০০ মিলিয়ন ঘন্টারও বেশি সময় ধরে দেখা হয়েছে। নেটফ্লিক্সের সর্বাধিক দেখা বিষয়বস্তুর তালিকায় রয়েছে “পার্পল হার্টস”।কিন্তু এত সাফল্যের পেছনে কারণ কী? কারণ কি শুধুই বিতর্ক? পার্পল হার্টস কি বিরক্তিকর বর্ণবাদ নিয়ে চর্চার ফলেই আলোচনার কেন্দ্রে?কী বলছেন ফিল্ম বিশেষজ্ঞরা।তাঁরা বলছেন,আমেরিকার বাস্তব কে তুলে ধরার প্রবণতাসম্পন্ন ” পার্পেল হার্টস” অশ্বেতাঙ্গ ও নারীদের প্রতি আচরণ প্রতিফলিত করেছে।এছাড়াও রয়েছে কাহিনীর মধ্যে মোচড় যা নেটফ্লিক্সের উপহারকে জনপ্রিয় করেছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার ওসেনসাইড গল্পের পটভূমি।ক্যাসি (কারসন), ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী গায়িকা যে তার ইনসুলিন বিল পেতে অক্ষম এবং ইরাকগামী যুবক লুককে (গ্যালিটিজাইন) ঘিরে প্রাথমিকভাবে আবর্তিত। অতঃপর তাদের প্রথম দেখার পর থেকে গতানুগতিক ধারা ভেঙেছে যার মধ্যে রয়েছে পরতে পরতে পট পরিবর্তন যা দর্শককে শেষ পর্যন্ত টেনে রাখবে।।


More Stories
বউ বদল : ময়নাগুড়িতে স্বামী-স্ত্রীর বদলাবদলি নাকি বদলা ?
অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা আসছে
প্রয়াণে শ্রদ্ধার্ঘ্য, হা হা করে হাসি ও কুশিক্ষা