Home » প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে রমরমিয়ে চলছে মাটি চুরি, চাঞ্চল্য মালদহে 

প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে রমরমিয়ে চলছে মাটি চুরি, চাঞ্চল্য মালদহে 

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ফের প্রকাশ্যে দিবালোকে সরকারি ক্যানেল থেকে মাটি চুরির অভিযোগ। প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে দিনের আলোতেই অবাধে চলছে মাটি চুরি। অভিযোগ স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণ হলে প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ভূমি কর্মাধক্ষ্যের।

মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পিপলা কলেজের পাশেই ক্যানেল রয়েছে। সেই ক্যানেল দিয়েই বর্ষাকালে সমগ্র হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার জল নিকেশ হয়। যদিও শীতকালে শুকিয়ে গিয়েছে ক্যানেল। অভিযোগ, সেখান থেকেই গত ২-৩ দিন ধরে দিনমজুর দের দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে পিন্টু সাহা নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা। মাটি নিয়ে গিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে বাড়ি তৈরীর কাজে। ইতিমধ্যেই মাটি কাটার কাজে যুক্ত দিনমজুররাও স্বীকার করে নিয়েছে সেই কথা। কিন্তু সরকারি জায়গার মাটি ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যবহার করা যায় না। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এছাড়াও এই ভাবে মাটি কাটলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে ভারসাম্য। আর সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পড়তেই হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও বন কর্মাধ্যক্ষ আদিত্য মিশ্র সমগ্র ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে মাটি কাটার কাজে যুক্ত দিনমজুর রাম দাস বলেন, ‘আমরা দিন মজুরের কাজ করি। পিন্টু সাহা আমাদেরকে কাজে রেখেছে। এখান থেকে যে মাটি কাটা হচ্ছে সেটা প্রশাসনকে জানানো হয়নি। বাড়ি তৈরির জন্য ২-৩ দিন থেকে আমরা মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছি।’ অন্যদিকে,হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধক্ষ্য আদিত্য মিশ্র বলেন, ‘এই ভাবে সরকারি জায়গার মাটি কাটতে পারে না। এটা বেআইনি। যে এই কাজে যুক্ত আছে প্রশাসনিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় মাঝে মাঝেই ঘটছে মাটি চুরির ঘটনা। কিছু দিন আগেই সরকারি জমির মাটি চুরি করে বিহারে পাচার করার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও ভূমি দপ্তরের দাবি বিহারে পাচার হয়নি। এবার স্থানীয় বাসিন্দার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত কাজে সরকারি মাটি চুরির অভিযোগ উঠল। এক্ষেত্রে ভূমি দপ্তর কি ব্যবস্থা নেয় সেটাই দেখার বিষয়।

About Post Author