সময় কলকাতা ডেস্ক,১৯ মার্চঃ আসানসোল কম্বল বিতরণকাণ্ডে পদপিষ্টের ঘটনায় বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন রাতেই নয়ডা থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় আসানসোলের প্রাক্তন মেয়রকে। বিমানবন্দরে আসতেই প্রবল ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কোনওক্রমে জিতেন্দ্রকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে পুলিশ। এদিন রাতেই দমদম সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় তাঁর। তারপরেই তাকে আসানসোল উত্তর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর রবিবার সকাল সকাল আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয়। যদিও এজলাসে তাঁর হয়ে কোনও আইনজীবী সওয়াল করেননি এদিন। এমনকী আদালতে জামিনেরও আবেদন করেননি তিনি। এ প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র বিচারককে জানিয়েছেন, তিনি নিজেই লড়বেন নিজের মামলা। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ১০ দিন আগে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের একটি বিশেষ দল দিল্লিতে পৌঁছয় এবং বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি নেতার খোঁজে তল্লাশি চালায়। তারপরই শনিবার নয়ডায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও, বিজেপি নেতার দাবি, এরা বদল নয়, বদলা চাইছে। তাঁর আরও দাবি, শেষ কথা বলবে না পুলিশ, শেষ কথা বলবে না তৃণমূল। শেষ কথা বলবে মানুষ।

আরও পড়ুন জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশ
উল্লেখ্য,আসানসোলে কম্বল বিতরণকাণ্ডে পদপিষ্টের ঘটনায় শনিবার বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে দিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। সূত্রের খবর,শনিবার স্ত্রী চৈতালি তিওয়ারিকে নিয়ে আগ্রা থেকে যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে যাওয়ার সময় তাঁকে রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করে। এদিকে,সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে জিতেন্দ্র তিওয়ারির আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। তারই মধ্যেই গ্রেফতার করা হল জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে।

আরও পড়ুন আইএসএল: কাইথের ‘বিশাল’ হাতের ছোঁয়ায় ভারতসেরা এটিকে মোহনবাগান
প্রসঙ্গত, গত ১৪ ডিসেম্বর আসানসোল পুরনিগমের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের রেলপারের রামকৃষ্ণ ডাঙালে শিবচর্চা ও মেগা কম্বল বিতরণী অনুষ্ঠান হয়। বকলমে, এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিলেন আসানসোল পুরনিগমের বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি তেওয়ারি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় পদপিষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃত ঝালি বাউরির ছেলে সুখেন বাউরি পরের দিন আসানসোল উত্তর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ একটি মামলা করে। অনিচ্ছাকৃত খুন-সহ তিনটি ধারায় একটি এফআইআর হয়। তাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারি, চৈতালি তিওয়ারি-সহ নির্দিষ্ট করে ১০ জনের নাম ছিল। জিতেন্দ্র তিওয়ারি ছাড়াও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬ জন।


More Stories
বাড়ি রং করাও ধ*র্ষণ! ঋতব্রতকে নিয়ে ধর্ষ*কের নতুন সংজ্ঞা মদনের
পারিবারিক ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে খু*ন করে আত্ম*ঘাতী স্বামী
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত