Home » ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর, মৃত ১৫

ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর, মৃত ১৫

সময় কলকাতা ডেস্ক,১৯ মার্চঃ তুরস্ক,নিউজিল্যান্ডের পর এবার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর। পাশাপাশি কেঁপে ওঠে উত্তর পেরুও। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। সূত্রের খবর, এই কম্পনের ফলে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। এদিকে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের জেরে আহত দু’শোরও বেশি মানুষ। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। ন্যাশানাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার দুপুর একটা নাগাদ, ভারতীয় সময় রাত ১০টা ৪২ মিনিটে ইকুয়েডরে ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬৬.৪ কিলোমিটার গভীরে ইকুয়েডরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গুয়াকিলের প্রায় ৫০ মাইল দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কাছে। ভূমিকম্পের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক এলাকা। প্রায় ৫০টি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলেরমো লাসো ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  সপ্তাহান্তেও একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা


এদিকে গত বৃহস্পতিবারই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ড। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.১। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফে জানানো হয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। ভূমিকম্পের মাত্রা অনেকটাই বেশি হওয়ায় বড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। উৎসস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে,কোনও প্রাণহানির খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ভূবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম বড় দু’টি গুরুত্বপূর্ণ টেকটনিক প্লেটের মাঝে নিউজিল্যান্ডের অবস্থান। কার্যত সেকারণেই নিউজিল্যান্ড অত্যন্ত ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা। প্রতি বছরই নিউজিল্যান্ডে ছোট-বড় বহু ভূমিকম্প হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসের ৬ তারিখ ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুর্কি ও সিরিয়া। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। এই ভূমিকম্পের পরই কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে তুর্কি এবং সিরিয়া। চোখের নিমেষে ভেঙে পড়ে লক্ষাধিক বাড়ি। কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এই দুই দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। মৃত্যু হয়েছে ৬২ হাজারেরও বেশি মানুষ। ভূমিকম্পের পরপরই সেখানে উদ্ধার কাজে নামেন ভারতীয় সেনা ও এনডিআরএফ-র টিম। প্রায় একমাস ধরে চলেছে উদ্ধার কাজ। বিশেষজ্ঞদের অনুমান এই জোরাল ভূমিকম্পের পর মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে তুর্কি।

About Post Author