সময় কলকাতা ডেস্ক,২৮ মার্চঃ দেশজুড়ে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। দেশ থেকে কিছুতেই বিদায় নিচ্ছে না এই মারণ ভাইরাস। দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা হাজারের নিচে নেমে গেলেও ফের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের সংখ্যা এবং মৃত্যুর সংখ্যা। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,দিল্লি,কেরালা,মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে সংক্রমণ সবেচেয়ে বেশি। এহেন পরিস্থিতিতে সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অধিকর্তাদের সঙ্গে নীতি আয়োগের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যগুলিকে গাইডলাইন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সহ রাজ্যে রাজ্যে শুরু হবে মকড্রিল। টিকাকরণেও জোর দেওয়া হবে। করোনা টেস্ট, আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু হবে। পাশাপাশি জিনোম সিকোয়েন্সিং টেস্টের উপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা সৌদি আরবে, মৃত ২০

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮০৫ জন। সংক্রমণ বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে দেশের সক্রিয় করোনা রোগী ১০ হাজার ৩০৫ জন। এর ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হল ৪ কোটি ৪৭ লক্ষ, ৪ হাজার ১৭৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৪০ জন। বাড়ছে সুস্থতার হার। এখনও পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ কোটি ৪১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৮৯৬জন। অর্থাৎ সুস্থতার হার ৯৮.৮৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন আসানসোল কম্বলকাণ্ডঃ ফের আদালতে পেশ জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে
বর্তমানে মৃত্যুর সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কেরালা। এখনও পর্যন্ত ৩ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর হার ১.২০ শতাংশ। টিকাকরণে জোর দিয়ে সংক্রমণে লাগাম টানা সম্ভব হলেও এখনও সম্পূর্ণ বিদায় নেয়নি এই মারণ ভাইরাস। কার্যত সেকারণেই জোরকদমে চলছে প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ অভিযান।


More Stories
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭