Home » গরু পাচার মামলায় বীরভূমের চালকল মালিকের হিসাবরক্ষককে তলব সিবিয়াইয়ের

গরু পাচার মামলায় বীরভূমের চালকল মালিকের হিসাবরক্ষককে তলব সিবিয়াইয়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক,২৯ মার্চঃ গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ সাঁইথিয়ার চালকল মালিক রবীন টিব্রেওয়ালকে ফের তলব সিবিআইয়ের। একইসঙ্গে তাঁর সংস্থার এক হিসাবরক্ষককেও তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর,আগামী এপ্রিল মাসের ২ তারিখ রবীন টিব্রেওয়াল এবং হিসাবরক্ষককে যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে কলকাতার নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে। গত সোমবারই রবীনকে জেরা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। কিন্তু, বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি থাকার কারণে ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই গরু পাচার মামলার প্রধান অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে ওই চালকল মালিকের আর্থিক লেনদেনের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সেই লেনদেনের সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রবীন টিব্রেওয়াল এবং তাঁর বাবকে। কিন্তু,এদিন তাঁরা একাধিক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। কার্যত সেকারণেই চালকল মালিক এবং হিসাবরক্ষককে তলব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন   আর্থিক বঞ্চনার দাবিতে রেড রোডে ধর্নায় মমতা


এদিকে,গরু পাচারকাণ্ডে সোমবারই ফের সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে তলব করেছিল ইডি-র। সূত্রের খবর,বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি থাকার কারণে মহম্মদ আলিকে দ্বিতীয়বার তলব করা হয়েছে। এর আগে গরু পাচার মামলায় সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে শনিবার দু’দফায় প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে তাঁকে ম্যারাথন জেরা করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত প্রায় দশটা নাগাদ ইডির অফিস থেকে বেরোন তিনি। ইডি-র দাবি, পাচারকারীদের সাহায্যের জন্য মোটা অঙ্কের ‘প্রোটেকশন মানি’ পেতেন সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলি। এমনকী তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বেশ কিছু সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কার্যত সেকারণেই তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে,গরু পাচার চক্রের সঙ্গে যে মোটা অঙ্কের কালো টাকা জড়িয়ে রয়েছে,সেই কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হত, তা জানতেই ফের তলব করা হয়েছে। এই গরু পাচারের টাকা কোন পথে ঘোরানো হত, কোন সংস্থায় কত টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে,কার নির্দেশ মতো এই টাকা বিনিয়োগ হয়েছে, সেইসব বিষয়ে জানতেই শনিবার সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ শেখ আলিকে তলব করা হয়েছিল বলেই সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন   পুসকাস ও সুনীল ছেত্রী


উল্লেখ্য, কয়লা ও গরু– জোড়া পাচার মামলাতেই জড়িত সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলি। অনুব্রত মণ্ডল, সায়গল হোসেনের এই অবৈধ পাচার প্রক্রিয়ায় মোটা টাকার বিনিময়ে তিনি চুপ করে থাকতেন, এই অভিযোগ উঠেছে মহম্মদ আলির বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, গত কয়েকমাসে অনুব্রত মণ্ডলের মামলা চালানোর খরচও জুগিয়েছিলেন বীরভূমের সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলি। কিছুদিন আগেই কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। সেসময় তিনি হাজিরাও দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন   ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ,পশ্চিমবঙ্গ সহ রাজ্যে রাজ্যে শুরু মকড্রিল

এদিকে,  বৃহস্পতিবারই  গরু  পাচারকাণ্ডে আসানসোল সংশোধনাগারের সুপারেনটেনডেন্ট কৃপাময় নন্দীকে তলব করেছে ইডি। আগামী ৫ এপ্রিল তাঁকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর,ই-মেল মারফত আসানসোল সংশোধনাগারের সুপারেনটেনডেন্টকে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর,অনুব্রত মণ্ডল যে সময় আসানসোল জেলে ছিলেন, সেই সময়ের কী কী ঘটেছিল, সেসব নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হতে পারে

About Post Author