সময় কলকাতা ডেস্ক,২৯ মার্চঃ মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ। একধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গেল জীবনদায়ী ওষুধের দাম। চাল,ডাল,তেল,নুন,জ্বালানী থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় একাধিক সামগ্রীর দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সাধারণ মানুষের ওপর ফের বড়সড় ধাক্কা। এবার যেন গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠতে চলেছে। কারণ,আগামী ১ এপ্রিল থেকেই একলাফে দাম বেড়ে যাচ্ছে অত্যাবশ্যকীয় প্রায় ৩৮৪টি ওষুধের দাম। তবে,৩৮৪ টি ওষুধই নয়, ১০০০ এরও বেশি ওষুধ তৈরির প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও আসবে পরিবর্তন। এই হোলসেল প্রাইস ইনডেক্সের ওপর ভিত্তি করেই ন্যাশনাল লিস্ট অব এসেন্সিয়াল দাম বাড়তে চলেছে।
আরও পড়ুন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কীভাবে খাবেন আপেল সিডার ভিনিগার? রইল পদ্ধতি

২০২২-২০২৩ অর্থবর্ষ অনুযায়ী ওষুধের দাম ১২ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। কার্যত সেকারণেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাজারে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। মূলত জ্বর, সংক্রমণ, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তাল্পতা সহ আরও একাধিক ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্যারাসিটামল, ফেনোবারবিটোন, ফেনিটোইন সোডিয়াম, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোফ্লোক্সাসিন, হাইড্রোক্লোরাইড ও মেট্রোনিডাজলের মতো ওষুধের দাম বাড়ছে।

আরও পড়ুন মেক্সিকোর শরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৩৯
এর আগে গত বছর এপ্রিল মাসেই জীবনদায়ী ওষুধের দাম বেড়েছিল ১১ শতাংশ। সেসময় একলাফে অত্যাবশ্যকীয় প্রায় ৮০০ ওষুধের দাম বেড়েছিল। ২০২১ সালের অর্থবর্ষ অনুযায়ী ওষুধের দাম ১০.৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। হোলসেল প্রাইজ ইনডেক্সের পরিবর্তনের ফলে ৮০০ টিরও বেশি ওষুধের দাম বেড়েছিল। প্যারাসিটামল ৬৫০-এর ১৫ টি ওষুধের পাতার দাম ছিল ৩০.৯১ টাকা। ১০ শতাংশেরও বেশি দাম বেড়ে ওঁই ওষুধের পাতার দামঅহয় ৩৪ টাকা। পাশাপাশি আ্যন্টিবায়োটিক ওষুধেরও দাম বেড়েছিল।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারী শুরুর পর থেকেই ওষুধ প্রস্তুতকারকরা দাবি করে আসছিল যাতে ওষুধের দাম বাড়ে। সেই দাবি মেনেই ন্যাশনাল ফার্মাসিটিউক্যাল প্রাইসিং অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের মূল্যবৃদ্ধির অনুমতি দিয়েছে।


More Stories
রাতারাতি আট চিকিৎসক বদলি, চিকিৎসা সংকটে ধুপগুড়িবাসী
ডুয়ার্সে সফল আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প
এনআরএসে রহস্যময় মৃত্যু নার্সের