Home » শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি

শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি

 সময় কলকাতা  ডেস্ক, ১১ এপ্রিল: আসানসোল কম্বল  বিতরণ কাণ্ডে অবশেষে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট জিতেন্দ্রকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিল। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে জিতেন্দ্রর জামিনের মামলার শুনানি ছিল। এদিন শুনানি শেষে আদালত ৫০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত বন্ডে জিতেন্দ্রর জামিন মঞ্জুর করে। কিন্তু এখনই আসানসোল পুরসভা এলাকায় ঢুকতে পারবেন না বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র। তবে,ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় যেতে পারবেন তিনি।

এর আগে গত সপ্তাহেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে জামিনের আবেদন জানিয়ে মামলা করেছিলেন জিতেন্দ্র। সেইসময় ওই মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে রাজ্যের তরফে সময় চাওয়া হয়। এরপরই বিচারপতি জানিয়ে দেয় আরও ৭ দিন জেল হেফাজতেই থাকতে হবে জিতেন্দ্রকে। এদিকে কয়লা পাচার মামলায় সিআইডি তদন্তের উপর অবশেষে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকী এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতির উপরেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। একইসঙ্গে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ দেন, কেন সিআইডি এই তদন্ত চালাতে চায়, তা চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে আদালতে জানাতে হবে।

আরও পড়ুন   ছোট্ট কন্যা মালতির সঙ্গে ইস্টার উদযাপন প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার!

সূত্রের খবর,২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলায় একটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল বিজেপি নেতা তথা আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির বিরুদ্ধে। পরে রাজ্য পুলিশের সিআইডি নতুন করে কয়লা পাচারে অভিযুক্ত জিতেন্দ্র তিওয়ারির বিরুদ্ধে তদন্তের আর্জি জানায়। সেই মামলায় সিআইডি তদন্তের উপরই স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত ২৮ মার্চ জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে জেরা করতে নিম্ন আদালতে আবেদন করে পুলিশ। রানীগঞ্জ কয়লা পাচার নিয়ে পুরনো একটি মামলায় জেরার অনুমতি চাওয়া হয়। যদিও ইসিএল এফআইআর-এ তিনজনের নাম থাকলেও জিতেন্দ্রর নাম ছিল না।

উল্লেখ্য, আসানসোল কম্বল বিতরণকাণ্ডে পদপিষ্টের ঘটনায় বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ১৮ মার্চ গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ১৯ মার্চ সকাল তাঁকে আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয়। এদিন মামলার শুনানি শেষে জিতেন্দ্রকে আট দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও এজলাসে তাঁর হয়ে কোনও আইনজীবী ওইদিন সওয়াল করেননি। এমনকী আদালতে জামিনেরও আবেদন করেননি তিনি। এ প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র বিচারককে জানিয়েছিলেন, তিনি নিজেই লড়বেন নিজের মামলা। কার্যত সেকারণেই তিনি নিজে আদালতের সামনে ওইদিন জামিনের জন্য আবেদনও জানান।

About Post Author