সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ এপ্রিল : তীব্র গরমে পুড়ছে বাংলা। তাপপ্রবাহের জেরে গলদঘর্ম অবস্থা রাজ্যবাসীর। এই গরমে কাজের দরকারে মানুষকে বাইরে বেরোতেই হয়। আর ঘরের বাইরে পা দিলেই কয়েক মিনিটে ঘেমে স্নান করার মতো অবস্থা। গরমের এই তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে মানুষ সুযোগ পেলে এসিতে শুয়ে পড়ছে। আর যাদের এসির সুযোগ থাকছে না তারা ঠান্ডা জল খেয়ে নিজেদের তেষ্টা মেটাচ্ছে। শুধু জল নয়, এই গরমে রাস্তার ধারে ধারে প্রচুর শরবত, লস্যি বিভিন্ন দোকান দেখতে পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন আর্জি খারিজ, মানহানি মামলায় বড় ধাক্কা রাহুল গান্ধির
এগুলিতে চুমুক দিয়ে মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। তবে নিজেকে সুস্থ রাখতে গরম থেকে এসে হঠাৎ করে ঠান্ডা জলপান করা বা এসি-তে ঢুকে যাওয়া একদম উচিত নয়। এতে দেহের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকে না। ইমিউনিটি কমে যায়। শরীরে আক্রমণ চালায় নানা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া। এই ভুলগুলির জন্য হতে পারে অনেক বড় বিপদ। টনসিল গ্ল্যান্ডে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হয়। ঠাণ্ডা গরমে খাবার গেলার সময় টনসিলের সমস্যায় ভুগতে হয় অনেককেই। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অবশ্যই কিছু টোটকা মেনে চলুন-

মধু চা:
এই সমস্যার সমাধান করতে মধু চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কমাতে সাহায্য করে। চায়ের মধ্যে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে পান করলে খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।
নরম খাবারই মহৌষধী:
এই প্রদাহের সমস্যা দেখা দিলে তার থেকে চটজলদি রেহাই পাওয়া যায় না। এই ক্ষেত্রে শক্ত খাবার খাওয়া একদম উচিত নয়। চেষ্টা করুন গলা ভাত খাওয়া বা নরম জাতীয় কিছু খাওয়া। এতে আরাম মিলবে।

নুন জলে গার্গল:
নুন গলার মধ্যে সমস্ত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুকে ধ্বংস করে। জল সামান্য গরম করে তাতে সামান্য পরিমাণ নুন ফেলে গার্গল করুন। দিনে ৩ থেকে ৪ বার গার্গল করলেই উপকার পাবেন। যে কোনও রকম প্রদাহের বিরুদ্ধে নুন দারুন কাজ করে।
গরম পানীয় মুখে তুলুন:
বাইরে প্রচন্ড তাপমাত্রার কারণে মানুষের ঝোঁক ঠান্ডার দিকে। কিন্তু টনসিলাইটিসের সমস্যা দূর করার জন্য সময় সুযোগ পেলেই চা, কফি,সুপ খেতে হবে। টনসিলের ব্যথা কমাতে এই গরম পানীয় সাহায্য করে থাকে। মধু, এলাচ, তুলসী, আদা মিশ্রিত চা খেলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন :
ফের বাড়ছে করোনার উপদ্রব। গলা ব্যথা কিন্তু করোনারও একটি লক্ষণ এটি ভুলে যাবেন না। ১- ২ দিনের মধ্যে সমস্যা না কমলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


More Stories
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু
সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে