Home » ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়! জরুরী পরিষেবায় নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়! জরুরী পরিষেবায় নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক

সময় কলকাতা ডেস্ক,৪ মে : বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই মাথাচাড়া দিচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। মৌসম ভবন থেকে এরকম সতর্ক বার্তা পেতেই  তৎপরতা শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। ঘূর্ণিঝড়ের আগাম প্রস্তুতি, এবং পরবর্তী পরিস্থিতিতে কীভাবে উদ্ধারকার্য চালানো হবে, ত্রাণ বণ্টন করা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বৈঠক ডাকলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। আগামী ৬ ই মে এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন মুখ্যসচিব। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে,আগাম প্রস্তুতি নিয়ে ওই বৈঠকে মোট চারদফা বিষয়য়ে আলোচনা করা হবে। সেই আলোচনা সভায় কীভাবে উদ্ধারকার্য চালানো হবে, কীভাবে ত্রাণ বিতরণ হবে,পুনর্গঠন কী ভাবে হবে, এই সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে।

এদিনের এই আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলার জেলা শাসক,  বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর, বিদ্যুৎ দফতর ও এনডিআরএফ এর আধিকারিকরা। বিপর্যয় সামলাতে সেইদিনই তৈরি করা হবে রুট ম্যাপ। এর আগে বহুবার এই ধরনের ঘূর্ণি ঝড় হয়েছে তখন বহু ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে গোটা রাজ্য। সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। আর এবার আগের বছরের সব কথা মাথায় রেখেই আগাম সতর্কতা ও বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য।

আরও পড়ুন  আজকের দিনের গুরুত্ব

সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বৈঠকে ঝড় বৃষ্টি ও বিপর্যয়ের জন্য আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি নিয়ে রাখার কথা বলেছিলেন। তারই জেরে এই জরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে মনে করছেন কার্যনির্বাহী আধিকারিকরা। সম্প্রতি দিল্লির মৌসম ভবন থেকে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, মে মাসেই বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়। যার অভিমুখ থাকবে দুই বাংলার উপকূলের দিকে। ৫ ই মে থেকেই ঘুর্ণবাত তৈরি হতে পারে বলে বলছেন মৌসম ভবনের আধিকারিকরা। ওই সময় সাগরের জল ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। যা ঘূর্ণিঝড় তৈরি করার জন্য অনুকূল।

সেই ঘূর্ণবাত এগিয়ে আসবে বঙ্গোপসাগরের বুকে। সেখান থেকে তার শক্তি বৃদ্ধি পাবে ও গভীর নিম্নচাপ সহ ঘূর্ণি ঝড়ের সৃষ্টি হবে। এখনও পর্যন্ত পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে,১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যেই দুই বাংলার উপকূলে ও সুন্দরবনের উপকূলে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। ল্যান্ডফলের সময়ে তার গতিবেগ থাকতে পারে প্রতি ঘন্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিমি। যা অনেকটাই ভয়ঙ্কর আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

About Post Author