Home » মাঠে ফিরেই ফের লাল কার্ড স্টিমাচের, এগিয়ে থেকেও লক্ষ্যপূরণ হল না সুনীলদের

মাঠে ফিরেই ফের লাল কার্ড স্টিমাচের, এগিয়ে থেকেও লক্ষ্যপূরণ হল না সুনীলদের

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৮ জুন: সাফ কাপে ভারতের সামনে ছিল নিয়মরক্ষর লড়াই। কারণ নেপালের বিরুদ্ধে জিতেই সাফ কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ইগর স্টিমাচের ছেলেরা। অনেকটাই চাপ মুক্ত হয়ে মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভায় নেমেছিলেন সুনীলরা। প্রতিপক্ষ কুয়েত। এই টুর্নামেন্টে বিশেষ আমন্ত্রিত দল হিসেবে খেলেছে কুয়েত। এই ম্যাচ জিতলে সাফ কাপে জয়ের হ্যাটট্রিক হত ভারতের। আর জয়ের হ্যাটট্রিক করতে পারলে গ্রুপ-এর শীর্ষ দল হিসেবে শেষ চারে খেলার সুযোগ পেত ভারত। কিন্তু ম্যাচ ড্র হওয়ায় কোনো আশা পূরণ করতে পারলেন না সুনীলরা। প্রথমে এগিয়ে গিয়েও ১-১ গোলে ম্যাচ অমীমাংসিত রেখে মাঠ ছাড়তে হল তাঁদের। এই ড্রয়ের ফলে গোল পার্থক্যের বিচারে গ্রুপ এ র শীর্ষ স্থানে থেকে পরের রাউন্ডে খেলার ছাড়পত্র পেল কুয়েত।

ম্যাচের শুরু থেকে এদিন বলে দখল নিয়ে খেললেও গোলের খাতা খুলতে পারেনি ভারত। ফিফা ক্রম তালিকার ১৪৩ নম্বরে থাকা দলের বিরুদ্ধে কিছুটা এলোমেলো ফুটবল খেললেন সুনীলরা। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের সন্ধান পায়নি। তবে প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর অসাধারণ ভলিতে এগিয়ে যায় ভারত। ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে মানসিকভাবে আরও আগ্রাসী হয়ে যায় কুয়েতের ফুটবলাররা। দ্বিতীয়ার্ধে বলের দখল বেশি ছিল কুয়েতের ফুটবলারদের পায়ে।

আরও পড়ুন   বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে চান? কত খসাতে হবে গাঁটের কড়ি

দ্বিতীয়ার্ধে একাধিকবার দলের অনিবার্য পতন রক্ষা করেন ভারতের গোলরক্ষক আমরিন্দর সিং। ম্যাচের ৯০ মিনিটে ঝামেলায় জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন দুই দলের একজন করে ফুটবলার। ভারতের হয়ে লাল কার্ড দেখেন রহিম আলী, কুয়েতের হয়ে লালকার্ড দেখেন হামাদ আলকালাফ। দ্বিতীয়ার্ধে নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট ও সংযুক্তি সময় দুই দলকে ১০ জনে খেলতে হয়। এসময় আনোয়ার আলির আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় কুয়েত।

পাকিস্তান ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় নেপাল ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন না ভারতের কোচ ইগর স্টিমাচ। কুয়েত ম্যাচে ডাগআউটে ফিরতেই আবার লাল কার্ড দেখলেন তিনি। ম্যাচের ৬৩ মিনিট ও ৮০ মিনিটে ম্যাচ আধিকারিকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে দুটি হলুদ কার্ড দেখেন ভারতের হেডস্যার। ম্যাচের বাকি সময়টা গ্যালারিতে দর্শকাসনে বসে কাটাতে হয় ইগর স্টিমাচকে।

About Post Author