পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা,২৫ জুলাই : “মাফিয়া” শব্দটি শুনলেই এক কথায় অপরাধ জগতের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। মাফিয়া রাজ আজও ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। মাফিয়া ও মাফিয়া রাজ প্রসঙ্গে আলোচনা করলেই ভেসে ওঠে আলপাচিনোর অভিনয় সমৃদ্ধ “গডফাদার” চলচ্চিত্র, ভেসে ওঠে পাবলো এসকোবারের মুখ, এমনকী মনে পড়ে দাউদ ইব্রাহিমকে যারা প্রত্যেকেই গ্যাংষ্টার বা মবষ্টার হিসেবে কুখ্যাত, যাদের গড়ে তোলা সংগঠন কার্যত বৃহৎ অবৈধ ইন্ডাস্ট্রি হয়ে উঠেছিল। শুধু কি তাই, মাফিয়া শব্দের সঙ্গে জুড়ে থাকা কুখ্যাত মাফিয়া রাজ বিশ্বশাসন করেছে, তাদের অর্থনৈতিক প্রতিপত্তি দিয়ে অনেক সময় বিশ্বের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট রচনার কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সংগঠনগুলির একেকটির সঙ্গে প্রায়শই যুক্ত থেকেছে হাজার হাজার অপরাধী। মাফিয়ারাজের ভিত ছিল গ্যাংস্টার বা মবষ্টাররা। “মাফিয়া” শব্দটির ব্যাপ্তি ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়েছে।মাফিয়া, মাফিয়া রাজ ও অপরাধ জগতের ইতিহাস নিয়ে আজ দ্বিতীয় কিস্তি।
আরও পড়ুন : নিউইয়র্ক শহরের ফাইভ ক্রাইম ফ্যামিলিস : মাফিয়াদের ইতালীয় আমেরিকান পঞ্চপরিবার

মাফিয়া কারা? মাফিয়া রাজ কী? এককথায় যারা দলবদ্ধ,সংগঠিত অপরাধ করে থাকে এবং বিভিন্ন বৃহৎ আকারের অপরাধমূলক কাজ করে, যার শেকড় নির্দিষ্ট একটি পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় ।”মাফিয়া” শব্দটি আদিতে ইতালীয় মাফিয়ার সাথে একটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা মিল বয়ে নিয়ে চলে যা এরকম অপরাধী সংস্থাগুলিকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়েছিল । মাফিয়া শব্দটির সংজ্ঞা হিসেবে ধরা হত এই ধরনের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকলাপ এবং বিভিন্ন অপরাধমূল কার্যের মধ্যস্থতা। একইসাথে সংগঠন এবং অপরাধীদের মধ্যে অবৈধ চুক্তির প্রয়োগ হত এবং প্রায়ই যা হিংসার রাস্তায় বিবিধ আইনবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থেকেছে । মাদক-পাচার, পতিতাবৃত্তি, এবং জালিয়াতি প্রভৃতি এমন কিছু কাজ প্রধানত মাফিয়া কার্যকলাপ হিসাবে গণ্য ছিল যার মূলে ছিল অনৈতিকভাবে অর্থ রোজগার। এই অর্থাগমের কাজে বিভিন্ন ধরনের লোক, তাদের যোগসুত্র ছিল সমাজের সবচেয়ে উঁচু মহলের । আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিপত্তিশালী বিভিন্ন মহলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ছিল। নিজেদের কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সিদ্ধহস্ত মাফিয়া সংগঠন গুলির শীর্ষ নেতৃত্ব ছিল ক্ষমতা লোভী। একইসাথে তারা ছিল চরম নির্মমও নিষ্ঠুর। গ্যাংষ্টার বা মবষ্টাররা কাজ হাসিল করার ক্ষেত্রে বিন্দু মাত্র বাধা তারা বরদাস্ত করত না।নিজেদের ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করতে, নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে ও তাকে ধরে রাখতে অত্যাচার ও রক্তপাত ঘটাতে কার্পণ্য করত না। তারা নিজেদের ক্ষমতা যেন খর্ব না হয় সেজন্য আতঙ্ক সৃষ্টি করত এবং এজন্য তারা খুনখারাপি তো বিন্দুমাত্র পিছপা ছিল না। প্রতিটি মাফিয়া সংগঠনে বিশেষ বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য বিশেষ দল গড়া থাকত অর্থাৎ প্রত্যেকটি মানুষের জন্য স্বতন্ত্র এক বা একাধিক কাজ সুনির্দিষ্ট ছিল। প্রতিটি গোষ্ঠীর এলাকাও নির্দিষ্ট করা ছিল। এক একটি মাত্রীয় সংগঠন আরেকটি মাত্র সংগঠনের কাজে অন্তরায় হত না বা সাধারণভাবে সংঘাতের পথ বেছে নিত না ইতালির সঙ্গে মাফিয়া শব্দটির সংজ্ঞার দিক থেকে যেমন নিবিড় যোগ, তেমনই ইতালির সঙ্গে মাফিয়া রাজের আজও নাড়ির যোগ থেকে গিয়েছে।এমনকী এখনও যে মাফিয়া রাজ কায়েম আছে সেক্ষেত্রেও অনেক অংশেই ইতালির যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। মাফিয়াদের ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর কাজ যাই হোক না কেন মাফিয়া শব্দটি কয়েকশো বছর আগে অকুতোভয়দের জন্য ব্যবহৃত হত। এল কী ভাবে “মাফিয়া” শব্দটি?”মাফিয়া” শব্দটি মূলত সিসিলিয়ান মাফিয়াতে প্রয়োগ করা হয়েছিল। শব্দটি তখন থেকে প্রসারিত হয়েছে অনুরূপ পদ্ধতি এবং উদ্দেশ্যের অন্যান্য সংস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। কখনও শব্দটির অর্থ প্রসার লাভ করেছে, কখনও সংকুচিত হয়েছে। আদতে সিসিলিয়ান বিশেষণ মাফিউসি থেকেই মাফিয়া কথাটি এসেছে যার অর্থ সাহসী বা নির্ভয়। বলা হয়, গোপন অপরাধ জগতের সাথে মাফিয়া কথাটির যোগসূত্র মাফিউসি ডি লা ভিসারিয়া নাটকের মাধ্যমে।
ক্যালাব্রিয়ার দক্ষিণ ইতালীয় অঞ্চলে উদ্ভূত ‘এনড্রাংঘেটা’কে ব্যাপকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী মাফিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদের আয়ের উৎস কোকেন।লা কোসা নোস্ট্রা বা ইতালিয়ান মাফিয়া, জাপানি মাফিয়া, রাশিয়ান মাফিয়া, আলবেনিয়ান মাফিয়া, মেক্সিকান মাফিয়া,চিনা মাফিয়া সংগঠন, ইসরায়েলি মাফিয়া, কলম্বিয়ান ড্রাগ মাফিয়া গ্ৰুপ, নিউইয়র্কের পঞ্চ-পরিবার,এনড্রাঙঘেটা,
সারবিয়ান মাফিয়া গ্ৰুপ সহ বিশ্বে এরকম বৃহৎ মাফিয়া গ্রুপের সৃষ্টি হয়েছে বা এখনও অস্তিত্ব রয়েছে। প্রতিটি সংগঠনের একাধিক দল ও উপদল রয়েছে এবং যাদের বেশ কিছু কুখ্যাত মাফিয়া বস রয়েছে। ভারতে মাফিয়া শব্দটি অঞ্চলভিত্তিকভাবে চরিত্র পাল্টালেও ভারতে মাফিয়া দের প্রধান কার্যকলাপের কেন্দ্র মুম্বাই এবং নিঃসন্দেহে ডি কোম্পানি ও দাউদ ইব্রাহিম মাফিয়া বস হিসাবে ভারতের সবচেয়ে ক্ষমতা সম্পন্ন যে সংগঠনের মূল কাজ ছিল সোনা, রুপো পাচার, ড্রাগের ব্যবসা, ইলেকট্রনিক্স গেজেটের বেআইনি ব্যবসা ও ব্ল্যাক মেল, তোলাবাজি সহ অন্যান্য অর্থনৈতিক অপরাধ। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে মাফিয়া কর্মকাণ্ড বলতে সাধারণভাবে জমি, মাটি, বালি বা নারী ঘটিত অপরাধ,অপহরনে ইত্যাদি বোঝায়। যদিও মুম্বাই বা ভারতের বিশেষ কিছু অঞ্চলের সংগঠিত অপরাধের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে মাফিয়ারাজ কার্যত সংজ্ঞা হিসেবে অত্যন্ত সীমিত বৃত্তের মধ্যে কাজ করে।অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী অপরাধী সংগঠনগুলোর নিজস্ব নাম রয়েছে (যেমন, সিসিলিয়ান মাফিয়া এবং সম্পর্কিত ইতালীয়-আমেরিকান মাফিয়া তাদের সংগঠনগুলিকে “কোসা নোস্ট্রা” হিসাবে উল্লেখ করে; “জাপানি মাফিয়া” নিজেদেরকে “নিঙ্কিও দান্তাই” বলে ডাকে কিন্তু সাধারণভাবে জনসাধারণের কাছে “ইয়াকুজা” নামে পরিচিত। অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বিত্তশালী মাফিয়া সংগঠন এনড্রাঙঘেটার মুল আয়ের উৎস কোকেন জাকির না ইউরোপের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কোকেনের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই অপরাধী সংগঠনের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে কলম্বিয়া মেক্সিকো ও আমেরিকার সাথে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিটি সংগঠনের কর্মকান্ডের পরিধি ও তার ইতিহাস বিশাল। এদের পাশাপাশি একাধিক বিশ্বব্যাপী বৃহৎ মাফিয়া সংগঠনের কথা অল্প কথায় উল্লেখ করা দরকার।

এলড্রাঙঘেটা বা জাপানের মাফিয়া রাজের পাশাপাশি আমেরিকার কথা টানলে চলে আসবে নিউইয়র্কের ফাইভ ফ্যামিলিসের কথা।নিউইয়র্কে ইতালীয় আমেরিকান মাফিয়া পরিবারদের মধ্যেই পাঁচটি পরিবারকে দেওয়া হয়েছে পঞ্চ পরিবার বা ফাইভ ফ্যামিলিসের তকমা। এরা ছিল আতঙ্ক। আজও তারা আতঙ্ক। আজও তাদের শাখাপ্রশাখা রয়ে গিয়েছে।জিনোভিসি ফ্যামিলি, গ্যাম্বিনো ফ্যামিলি, কলম্বো ফ্যামিলি, বুনানো ফ্যামিলি ও লুচেসি ফ্যামিলি – এই পাঁচটি পরিবার হয়তো এখন সরাসরি নেই, থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের বংশধরদের হাতে লাগাম নেই। তবুও তাদের দলের অস্তিত্ব রয়ে গিয়েছে। ব্যাটন খালি বদল হয়েছে।মবষ্টার বা গ্যাংষ্টার বদলেছে,নেতা বা বস বদলেছে। লক্ষ্য বদলায় নি।এছাড়া রয়েছে সার্বিয় মাফিয়া গ্রূপ, যাদের আবার একটি বিরাট অংশ প্রাক্তন সামরিক কর্মী।তারা অত্যন্ত নির্দয় এবং নিজেদের কার্যকলাপ ইউরোপের বিরাট মানুষের ছড়িয়ে দিলেও তারা রাশিয়ান গ্যাংস্টারদের চেয়ে আকারে, আয়তনে ছোট। সার্বিয় গ্যাংস্টারদের তুলনা রাশিয়ানদের সঙ্গে করা হয় কারণ রাশিয়ান কুখ্যাত মাফিয়া গ্রুপের অনেকেই সামরিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। আলবেনিয়ার মাফিয়া সংগঠনের শক্তি এখন অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। মেক্সিকান মাফিয়া সংগঠনের কথা বলতে হলে উল্লেখ করতে হবে এল চাপোর কথা,যার প্রকৃত নাম ছিল জোয়াকুইন গুজম্যান। তার হাতে বিস্তার লাভ করা সিনালোয়া কারতেল যা মাদক পাচারের কুখ্যাত সংগঠন তার নামের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলই। অসংখ্য হত্যাকাণ্ডেও তার হাত রক্তাক্ত হয়ে উঠেছিল বলেই বলা হয়ে থাকে। নিজের পুত্রর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে তিনি চারশো মানুষকে খুন করেছিলেন বলে জনশ্রুতি। জল স্থল ও আকাশ পথে ছিল তার ব্যবসা।মাদক পাচারকে সহায়তা করার জন্য, সিনালোয়া কার্টেল একটি জাহাজ ও পরিবহন সাম্রাজ্যও তৈরি করে।কুখ্যাত মাদক কারবারি পালমা সালাজার ছিল তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। গ্রেফতার হওয়ার পরে এল চ্যাপো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। এল চ্যাপোর সাম্রাজ্য শেষ হয়ে গেলেও মেক্সিকোর অপরাধ জগত আজও আছে । জোয়াকুইন “এল চ্যাপো” গুজমানকে গ্রেপ্তার করার পর, কার্টেলের নেতৃত্বে রয়েছেন ইসমায়েল জাম্বাদা গার্সিয়া (ওরফে এল মায়ো) এবং গুজমানের ছেলে আলফ্রেডো গুজমান সালাজার, ওভিডিও গুজমান লোপেজ এবং ইভান আর্কিভালদো গুজমান সালাজার।

একইভাবে কলম্বিয়ার ড্রাগ মাফিয়া ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পাবলো এস্কোবারের নাম, যার প্রভাব বিশ্বব্যাপী। এই গ্যাংষ্টার কলম্বিয়াতে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেয়। সহস্র নিরপরাধ নাগরিক ও আইনরক্ষকের প্রাণ যায় পাবলো এস্কোবারের কর্মকাণ্ডের জেরে।আর্থিক ভাবে কলম্বিয়ার অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে অন্ধকার জগত যার অনেকটা জুড়ে রয়েছে মাদক আর জুয়া। আর কলম্বিয়ার অপরাধ সাম্রাজ্যর প্রতিপত্তিশালী ও বিত্তশালী মুখ ছিল এস্কোবার । পুলিশের সঙ্গে লড়াইয়ে মারা যান পাবলো এস্কোবার। মাদক কারবারি ও কলম্বিয়ার অন্ধকার জগতের বেতাজ বাদশা পাবলো মৃত্যুর কিছুদিন আগেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গ্যাংষ্টার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাবলুর পরিবার আর্জেন্টিনায় আশ্রয় নেয়। অতঃপর মেক্সিকোতে শুরু হয় এল চ্যাপো পর্ব।এল চাপো ও এস্কোবারের সাক্ষাতের গল্প যতই চলচ্চিত্রে ফুটে উঠুক না কেন তার কোন বাস্তবভিত্তিক স্বীকার করেন না ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এজেন্টরা সর্বশেষে উল্লেখ করা দরকার কোসানোস্ত্রার।কারণ মাফিয়া রাজের গোড়ার কথাই বলে কোসানোস্ত্রা।এককথায় এরা হল সিসিলিয়ান মাফিয়া। উনিশ শতক থেকেই এদের নাম জড়িয়ে আছে অপরাধ জগতের সঙ্গে। এখনও ইতালির মাফিয়ারা রয়ে গেছে। সংগঠনের এখন ক্ষমতা খর্ব হলেও দেনারোর মত বস রয়েছেন। আমেরিকার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা অপরাধী সংগঠনগুলির যা বিভিন্ন অপরাধ পরিবার নামে পরিচিত তার সাথেও যোগ সূত্র থেকেই গেছে ইতালির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ পাল্টেছে। এল চাপো কারাগারে , এস্কোবার নিহত হলেও রয়ে গিয়েছে এল মায়ো। মাথা তুলেছে সিঙ্গাপুর এশিয়ার ড্রাগ ব্যবসা।সিঙ্গাপুর – এশিয়া প্যাসিফিক ভূখণ্ডের ক্রমবর্ধমান ড্রাগ ব্যবসার কারণে এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম বড় ড্রাগ মাফিয়া – সে চি লোপ। ভূখণ্ড বা নেতৃত্বের রদবদল হলেও স্বমহিমায় রয়েছে মাফিয়া রাজ।।
আরও পড়ুন : রক্তঝরা টেক্সাস : যদি প্রেম দিলে না প্রাণে


More Stories
বিরল রোগে মরণাপন্ন আফগান পেসার দিল্লির
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
বারাসাত বিজেপিতে ভাঙন, দল ছাড়লেন তাপস মিত্র