সময় কলকাতা ডেস্ক ,১৩ আগস্ট : “অন্ধজনে দেহ আলো, মৃতজনে প্রাণ “- যদি হৃদয় এই শাশ্বত বাণীতে ভেসে না যায়, তাহ’লে মানবিক বন্ধন অর্থহীন । আর এমনটাই মনে করে মানুষের হিতে উৎসর্গীকৃত এক সংস্থা, নাম বারাসাত সামাজিক। মানুষ মানুষের জন্য -এই বার্তাকে নতুন ব্যাপ্তি দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অঙ্গদান দিবসে তাদের মানবিক ও সামাজিক ভাবনা আরও সর্বজনীন করে তুলতে পথে নামল বারাসাত সামাজিক ।
আরও পড়ুন :মহাকালের গ্রাসে আজ দীনবন্ধু মিত্রের বসতবাড়ি
চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিস্ময়কর আবিষ্কার অঙ্গদান প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতির মাধ্যমে হাজার হাজার পঙ্গু মানুষকে যেমন সুস্থ,স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়, তেমন করেই প্রাণ বাঁচানো যায় মুমূর্ষু মানুষের। জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া অসংখ্য মানুষ বেঁচে থাকেন অন্য মানুষের মধ্যে। রবিবার ছিল ১৩ আগস্ট। বিশ্বঅঙ্গদান দিবস ছিল রবিবার । অঙ্গদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মৃত্যুর পরে মানুষের অঙ্গদান করাটা যে কতটা প্রয়োজন, তার গুরুত্ব বোঝাতে বারাসাত সামাজিকের উদ্যেগে একটি সচেতনতার পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পদযাত্রায় শহরের পাঁচটি স্কুলের পড়ুয়া ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।
উদ্যোক্তাদের অন্যতম সুজন ভট্টাচার্য বলেন,”এই দিনটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, দিনটি আমাদের চালিত করে মানুষকে অঙ্গ দানের জন্য এগিয়ে আসতে উদ্যোগী করতে । মানুষের পাশে দাঁড়াতে মানুষকে সচেতন করতে এই উদ্যোগ ।মানবতা জাগিয়ে তোলার জন্যই এই প্রচেষ্টা।”
প্রসঙ্গত,১৯৫৪ সালে সর্বপ্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছিল। তবে মধ্যযুগেও অঙ্গপ্রতিস্থাপনের অনেক নজির খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাচীন যুগে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের নজির বেশিরভাগ প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হত। তবে কালের বিবর্তনে আর বিজ্ঞানের উৎকর্ষতায় আজ সেই প্রচেষ্টার শতভাগ সফল করতে পেরেছেন বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকরা। সেই সাফল্যের কর্মসূচিতে মানব জাতিকে শরিক হওয়ার জন্য আহ্বান বারাসাত সামাজিকের। মানুষকে মানবিক বন্ধনে জড়িয়ে থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে নিবেদিতপ্রাণ বারাসাত সামাজিক।।


More Stories
দুশ্চিন্তার দিন শেষ! আয়ুষ্মান কার্ড এখন হাতের মুঠোয়
আমডাঙায় ফুড প্লাজা ভাঙচুর, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে
চুরমার বারাসাতের তৃণমূল নেতা অরুণ ভৌমিকের বাড়ি ও পার্টি অফিস, মেরে ফেলা হতে পারে আশঙ্কা স্ত্রীর