Home » হটাৎ সবুজ তোতার মুখে বদলার কথা!কেন?

হটাৎ সবুজ তোতার মুখে বদলার কথা!কেন?

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বর: দীর্ঘ ২৩ বছরের খরা কাটিয়ে ডুরান্ড কাপ জিতেছে মোহনবাগান। শুধু তাই নয় ফাইনালে হারিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে। ২০০৪ সালে এরকম এক ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ১-২ গোলে হারতে হয়েছিল সবুজ মেরুনকে। এমনকি এবারেও গ্রুপ পর্যায়ের খেলায় ইস্টবেঙ্গলের কাছে হেরেছিল মোহনবাগান।

ফলে, এবারের ফাইনালটা সম্মান রক্ষার পাশাপাশি ছিল বদলার। রবিবারের ফাইনালের আগে তাই মোহনবাগান জনতার মূল মন্ত্র ছিল “এই মাঠেই বদলা নেব।” মোহনবাগান জনতার ট্যুইটার, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ঘুরছিল এই পোস্ট। যেটা রবিবার বিকেলে পর বদলে গেল। কারণ যুবভারতীতে দিমিত্রি পেত্রাতোসের করা একমাত্র গোলে ততক্ষণ ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে দিয়েছে মোহনবাগান। পোস্টারে ‘নেব’ বদলে হয়ে গেল ‘নিলাম’ অর্থাৎ ‘এই মাঠেই বদলা নিলাম’।

আরও পড়ুন    ইউএস ওপেনে অঘটন, চতুর্থ রাউন্ড থেকে বিদায় শিয়নটেকের

এবার সেই পোস্টটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করলেন মোহন জনতার নয়নের মনি হোসে র‍্যামিরেজ ব্যারেটো। এরসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলায় লেখা এই ছবিটা একজন বন্ধুর থেকে পেলাম। ছবিটা মোহনবাগানের অর্থ বুঝিয়ে দিয়েছে। আজকের দিনে এর থেকে ভালো উপহার আমার কাছে আর কিছু হতে পারে না। মেরিনার্স, তোমরা সত্যিই খুব ভালো খেলেছ। জয় মোহনবাগান।’ ওই পোস্টের নিচে মোহন জনতা কমেন্ট করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে।

মোহনবাগান মানে ব্যারেটো। আর ব্যারেটো মানে মোহনবাগান। ১৯৯৮-৯৯ সালে কলকাতায় পা রাখার পর থেকে তিনি যেরকম মোহনবাগানকে দ্বিতীয় ঘর বানিয়ে ফেলেছিলেন, মোহন জনতাও তাঁকে তাঁদের জনের মর্যাদা দিয়েছে। ২০১২ সালে শেষবার মোহনবাগানের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান। তবু এখনও ক্লাবের প্রতি তাঁর ভালোবাসা যে অকৃত্রিম, এদিন ফের প্রমাণ করলেন ব্যারেটো।

About Post Author