Home » প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ মোদির, আর কোন কোন রাষ্ট্রনেতার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা?

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ মোদির, আর কোন কোন রাষ্ট্রনেতার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা?

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ সেপ্টেম্বর: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে এবার দেখা যাবে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনকে? জানা গিয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসে উপস্থিত থাকার জন্য মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি। যদিও এবিষয়ে এখনও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

চলতি বছর জি-২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করে ভারত। সেই সূত্রে দিল্লিতে আয়োজিত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ও উপরাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিস। সম্মেলনের মাঝে ভারত ও আমেরিকা দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আরও পড়ুন: শক্তিশালী ভারতের বার্তা, হরদীপ সিং নিজ্জরের খুনের সম্পর্কে ‘বিপথচালিত’ জাস্টিন ট্রুডো

প্রতিবছর প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ জানায় ভারত। কোভিড-১৯ মহামারীর জন্য ২০২১ এবং ২০২২ সালে কোনও প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি ছিলেন না। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি। এর আগে ২০১৫ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য। তবে ব্যক্তিগত কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। বাইডেন এই অনুষ্ঠানে যোগ দিলে তিনি হবেন দ্বিতীয় মার্কিন রাষ্ট্রপতি।

জল্পনা চলছিল আসন্ন প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে কোয়াডের নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ করার কথা চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চার দেশের একটি কৌশলগত নিরাপত্তা জোট হল কোয়াড বা কোয়াড্রিল্যাটেরাল সিকিউরিটি ডায়লগ। ভারত, আমেরিকা ছাড়াও এই জোটের বাকি দুটি রাষ্ট্র হল অস্ট্রেলিয়া ও জাপান। এই গোষ্ঠীর মূল উদ্দেশ্য চিনের মোকাবিলা করা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকেও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। ভারতের উদ্দেশ্য কোয়াডের অন্তর্গত রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

About Post Author