সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ অক্টোবর : “রূপং দেহি জয়ং দেহি যশাে দেহি দ্বিষাে জহি “হে চামুণ্ডা দেবী, তােমার জয় হউক। হে ভূতাপহারিণি,তােমার জয় হউক। হে সর্বব্যাপিনি দেবি, তােমার জয় হউক ।-বাঙালির প্রাণের পুজোয় মিশেছে উদ্বুদ্ধ হওয়ার মন্ত্র।চারের পল্লী পুজো প্রাঙ্গনে এরকমই এক কাহিনীর অবতারনা ঘটল।
আয়োজনকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচেষ্টা পুজোকে করে তোলে সর্বাঙ্গীন। সেরা পুজো কমিটির প্রচেষ্টাকে করা হয় অনুপ্রাণিত। চারের পল্লীর সৃজনশীলতাকে আমার কবিতা সাহিত্য পরিবারের সম্বর্ধনা প্রদানের মধ্যে বাঙালির উৎসবমুখরতা পেয়েছে অন্য মাত্রা। বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে উদ্বুদ্ধ করার প্রয়াসে মেতে ওঠে বাঙালি। বারাসাতের চারের পুজো সেজেছে সনাতনী ভাবনায় – পুজো মণ্ডপ থেকে সর্বত্র তার প্রকাশ।
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। বাঙালির উৎসব আয়োজনের সঙ্গে মেলবন্ধন হয়েছে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর। দেবীর আরাধনার সঙ্গে মিশেছে আবেগ ও সৃজনশীলতা। বাঙালি পুজো আয়োজন যেমন করে তেমন করেই দুর্গতি বিনাশে ঐক্যবদ্ধ হয়। আমার কবিতা সাহিত্য পরিবারের প্রয়াস সৃজনশীলতার সঙ্গে দেবীবন্দনার মিশেল।উৎসাহিত আয়োজকরা,আনন্দিত কবিতা সাহিত্য পরিবার।


More Stories
হর্ষ-বিষাদে পালিত ঈদ-উল-আযহা
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে