Home » ২০১৪ সালের পর থেকে ১৭ পুরসভায় ১৮৫০ জনের নিয়োগে বেনিয়ম হয়েছে, চার্জশিটে দাবি সিবিআইয়ের

২০১৪ সালের পর থেকে ১৭ পুরসভায় ১৮৫০ জনের নিয়োগে বেনিয়ম হয়েছে, চার্জশিটে দাবি সিবিআইয়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ জুলাই: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তৎপর সিবিআই। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পুরসভায় কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির তদন্তে নামে সিবিআই। এবার পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চার্জশিট পেশ করল সিবিআই। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ২০১৪ সালের পর থেকে ১৭টি পুরসভায় ১৮৫০ জনের নিয়োগে বেনিয়ম হয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে বেশি কারচুপি হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। সিবিআই তদন্তে কামারহাটি, বরাহনগর এবং টিটাগড়-সহ বিভিন্ন পুরসভার নাম উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, খবর, গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদে বিভিন্ন পুরসভায় মোট ৩৬৫০ জনের চাকরি হয়েছিল। তার মধ্যে ১৮৫০ জনের নিয়োগে বেনিয়ম হয়েছে। এছাড়া ডায়মন্ড হারবার, হালিশহর, কাঁচড়াপাড়া, টাকি এবং উলুবেড়িয়া পুরসভায় নিয়োগেও কারচুপি হয়েছে বলে সিবিআইয়ের দাবি। এ বিষয়ে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়ের বক্তব্য, ‘চাকরির ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয় ডিরেক্টর অব লোকাল বডি। সিবিআই দুর্নীতি বলছে, কিন্তু এখনও তা প্রমাণ হয়নি।’

আরও পড়ুন  Emran Hashmi: চুম্বন দৃশ্যের জন্য হজম করতে হয়েছে স্ত্রীয়ের সপাটে চড়, কী বিশেষ উপহার দিয়ে শান্ত করেন ইমরান?

এর আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, এজেন্টের মাধ্যমে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ৫০ হাজার টাকা করে কমিশন নিয়েছিলেন অয়ন শীলের এজেন্টরা। চার্জশিটে শমীক চৌধুরী নামে একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সিবিআইয়ের দাবি, অয়নের বন্ধু এবং এজেন্ট ছিলেন এই শমীক। ১০-১২ জনকে বিভিন্ন পুরসভায় চাকরি দিয়েছেন তিনি। দেবেশ চক্রবর্তী ওরফে কানুদার মাধ্যমেও অর্থের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন অন্তত ১৪ জন চাকরিপ্রার্থী। এদের প্রত্যেকের কাছ থেকেই ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছিলেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে অনেকে চাকরি পেয়েছেন। আর এসব ক্ষেত্রে মিডলম্যান হিসেবে কাজ করেছেন প্রমোটার অয়ন শীলের সঙ্গীরা। কিছুদিন আগেই নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল অয়নের সঙ্গী দেবেশ চক্রবর্তীকে। সূত্রের খবর, দেবেশ মূলত মিডলম্যানের কাজ করতেন। তাই মিডলম্যান হিসাবে আর কে কে কাজ করতেন। কার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কার হাতে দিতেন, এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেবেশের থেকে পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এদিনই তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। এর পাশাপাশি সিবিআই জানতে পেরেছে, অয়ন ঘনিষ্ঠ দেবেশই ৬০০ জনেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগের জন্য পাঠিয়েছিলেন।

#CBI

#Recruitmentcorruptioncaseinmunicipality

#Latestbengalinews

About Post Author