Home » ‘ জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হলে দেশজুড়ে আন্দোলন চলবে’, রাজ্যকে কড়া বার্তা সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলির

‘ জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হলে দেশজুড়ে আন্দোলন চলবে’, রাজ্যকে কড়া বার্তা সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলির

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ সেপ্টেম্বর: পাঁচ দফা দাবিতে মঙ্গলবার রাতের পর বুধবার সকাল থেকেই স্বাস্থ্য ভবনের সামনে কর্মবিরতিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকেরা। আন্দোলনকারীদের সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দাবি পূরণ না করা হবে, অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান বিক্ষোভ চলতে থাকবে। এই পরিস্থিতিতেই এবার জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়াল সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলি। বুধবার রাজ্যকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে সর্ভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিক্ষোভরত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হলে দেশজুড়ে ফের আন্দোলনে নামতে পারে তাঁরা।

আরও পড়ুন  Truck Strike: সাত দফা দাবিতে বুধবার থেকে ৭২ ঘণ্টার ট্রাক ধর্মঘট , পুজোর মুখে বাড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম

প্রসঙ্গত, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। উত্তপ্ত রাজ্যের চিকিৎসক মহল। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ। ক্রমশ বড় হচ্ছে প্রতিবাদের বহর। এই পরিস্থিতিতে সোমবার আরজিকর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় যে, মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে হবে। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রীও চিকিৎসকদের কাজে ফেরার আর্জি জানান। রাজ্যের তরফে একাধিকবার জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। এরপরই শীর্ষ আদালতের নির্দেশকে অমান্য করে মঙ্গলবার পাঁচ দফা দাবিতে ফের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নামে জুনিয়র ডাক্তারেরা। পাঁচ দফা দাবির পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষ অধিকর্তা-র ইস্তফা চেয়ে এদিন করুণাময়ী থেকে স্বাস্থ্য ভবন পর্যন্ত অভিযানের চালান তাঁরা। সোমবারই সাংবাদিক বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নতুন করে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির পদত্যাগ চেয়েছেন তাঁরা। এসব দাবি পূরণ না হলে তাঁরা কাজে ফেরার কথা ভাববেন না।

আরজিকরের জুনিয়র ডাক্তারেরা যে পাঁচ দফা দাবির কথা তুলেছেন, সেগুলি হল— প্রথমত, আরজিকর কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সমস্ত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করা, অপরাধের উদ্দেশ্য সামনে আনা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। দ্বিতীয়ত, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িতদের চিহ্নিত করতে হবে। তৃতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে ‘ব্যর্থ প্রমাণিত’ কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলের ইস্তফা। চতুর্থত, রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। পঞ্চমত, রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভয়মুক্ত পরিবেশ গড়া এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করা।

#RGKarProtest   

#RGkarHospital  

#RGKARDoctorDeath     

#Latestbengalinews  

#ChiefJusticeDYChandrachud  

#SupremeCourt

About Post Author