সময় কলকাতা ডেস্ক, ৫ অক্টোবর: নয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ঊনিশের যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে এলাকার একটি জলাভূমি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নির্যাতিতার মৃত দেহ। রাতেই সিসিটিভি ফুটেজ থেকে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছিল, তবে ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ফুঁসে উঠেছে জয়নগরের জনগন। পুলিশের ক্যাম্পে অগ্নি নিক্ষেপ থেকে শুরু করে থানায় ঢুকে ভাঙচুর পর্যন্ত করল এলাকাবাসীরা।

আরও পড়ুন: চলছে হরিয়ানা বিধানসভার ভোটগ্রহণ, কংগ্রেস বনাম বিজেপির লড়াইয়ে নজরে আর কি কি?
নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, রাতে মহিষমারি পুলিশ ফাঁড়িতে শিশু নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানাতে গিয়েছিল তাঁরা। সেখানে তাঁদের অভিযোগ নেওয়ায় হয়নি। জয়নগর থানায় যেতে বলেছিল পুলিশ। তাদের বক্তব্য, রাতে অভিযোগ পাওয়া মাত্র পুলিশ তৎপর হলে শিশুটিকে হয়তো বাঁচানো যেত। কার্যত মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার হতেই পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন পরিবার সহ এলাকার বাসিন্দারা। অবশেষে শনিবার ভোরে জয়নগরের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সকালে ঘটনাস্থল থেকে বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি জানালেন, অভিযুক্ত ঊনিশ বছরের ওই যুবক খুনের অভিযোগ স্বীকার করে করে নিলেও সে ধর্ষণের করেনি বলে দাবি করছে। কার্যত ধর্ষণের যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ফের জঙ্গি আনাগোনা কাশ্মীরে, সেনা আগ্রাসনে নিহত দুই
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিজিগ নিয়ে মুখ খুলেছেন জয়নগরের এসপি। তাঁর কথায়, “আমরা রাত ৯টা নাগাদ খবর পেয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু করি। কোথা থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়েছিল, কে শেষ বার তাকে দেখেছিল, সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করেছিল পুলিশ। অপহরণের মামলাও রজু করা হয়েছিল। রাতেই অভিযুক্তকে চিহ্নিতও করা হয়। তারপর তিন-চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। ততক্ষনে ভোর হয়ে গিয়েছিল।”
ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে কুলতলি থানা ঘেরাও অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জয়নগরে পৌঁছেছেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি আকাশ মাঘারিয়া-সহ একাধিক পুলিশকর্তা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
জার্সিতে যৌন অপরাধে প্রাক্তন শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?