সময় কলকাতা ,সানি রায়, উত্তরবঙ্গ:-রোহিঙ্গাদের পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ অব্যাহত। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বারবার কাঠগড়ায় তুলেছে বিরোধীরা। অভিযোগ ছিল ভোট ব্যাংকের স্বার্থে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মদত দেওয়া হচ্ছে। যদিও শাসকদল বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি রাজ্য উত্তাল হয়েছে ভুয়ো ভোটার নিয়ে। তার মাঝে চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। টাকার বিনিময় সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা। কোচবিহারের ধাপড়া বাজার এলাকায় এক পুরুষ ও মহিলাকে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশে জিজ্ঞাসা বাদে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ধৃত দুই অনুপ্রবেশকারী মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। বাংলাদেশের কক্সবাজারে অনুপ্রবেশ করার সময় গুলিবিদ্ধ হন তারা। বিগত তিন বছর ধরে বাংলাদেশি তারা বসবাস করছিল। এবার উদ্দেশ্য ছিল ভারত হয়ে নেপালে প্রবেশ করার।
বাংলাদেশের এক দালালকে চল্লিশ হাজার টাকার দিয়ে, সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন তারা। কিন্তু সীমান্ত পার হতেই গ্রেফতার হয় দুইজন। নেপালে আত্মীয়র বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই ভারত সীমান্ত অতিক্রম করেছিল তারা। তবে এখানে উঠছে প্রশ্ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে। যেখানে সীমান্তে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অতন্দ্র প্রহরী হয়ে রয়েছেন, তাও কিভাবে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটছে? তাহলে কি সর্ষের মধ্যে ভূত রয়েছে? একদিকে শাসক দল বরাবরই তোপ দেগে এসেছে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে। শাসক দলের বরাবরই অভিযোগ ছিল সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কর্তব্য গাফিলতি নিয়ে। আর অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধীদের অভিযোগের তীর ছিল শাসকদলের দিকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় এবং মদত দেওয়া নিয়ে। তবে কোচবিহারের ঘটনা এটা আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে ,সর্ষের মধ্যে ভূত রয়েছে।


More Stories
ময়নাগুড়িতে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২ তরুণী , আহত ৫
সামাজিক গণমাধ্যমে প্রতীকী বিদ্রোহ জলপাইগুড়ির তৃণমূলে
রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে নেতা যখন পরীক্ষার্থীদের মুশকিল আসান