সময় কলকাতা ডেস্ক:- বৃহস্পতিবার রাতের উত্তপ্ত পরিস্থিতির আঁচ গড়াল সকালেও। দিনের আলো ফুটতেই ফের বিকাশ ভবনের সামনে জমায়েত চাকরিহারা আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। ব্যারিকেড ঠেলে সরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলেন চাকরিহারা আন্দোলনকারীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্দোলনস্থলে আসতে হবে দাবি শিক্ষকদের। একদিনও ঘটনাস্থলে মোতায়েন প্রচুর পুলিশ ও র্যাফ।
এদিকে বিকাশ ভবনে চাকরিহারাদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের পর আদালতের দারস্থ এক চাকরিহারা শিক্ষক। দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অগ্নিগর্ভ ছিল সল্টলেক বিকাশ ভবনের সামনের পরিস্থিতি। সকালে প্রথমে গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ার অভিযোগ ওঠে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে। এরপর দিনভর চলে অবস্থান। পরিস্থিতির অবনতি হয় সন্ধ্যের পর। চাকরিহারাদের টেনে হিঁচড়ে বের করার চেষ্টা করতেই ছড়ায় বিশৃঙ্খলা। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। আহত হন বহু শিক্ষক ও শিক্ষিকা। তাঁদের দাবি, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কেন লাঠি চালানো হল? আমরা তো নিজেদের হকের চাকরিই ফেরত চাইছি!’
এরপরই মারমুখী পুলিশ রাতে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ করে। সেই লাঠিচার্জের জেরে চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা রক্তাক্ত হন অনেকেই। তারই প্রতিবাদে আজ শিক্ষকদের ধিক্কার দিবস পালনের ডাক।
রাতভর রাস্তায় অবস্থানের পর শুক্রবার সকাল হতেই ফের চড়ল আন্দোলনের সুর। সকাল সাড়ে ৯টার পর আচমকা আন্দোলনকারীদের একাংশ ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটকায় পুলিশ ফের সাময়িক ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজনার আঁচ পেয়েই সকাল থেকে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন বিকাশ ভবনে। র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ছাড়াও মোতায়েন একজন আইপিএস পদমর্যাদার অফিসার।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?