পুরন্দর চক্রবর্তী ও চুমকী সূত্রধর, সানি রায়, সময় কলকাতা : সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে, লিখেছিলেন এস ওয়াজেদ আলি। অতি সম্প্রতি দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা বৈদ্যুতিন মাধ্যমের সংবাদকর্মীরা খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রহৃত হয়েছেন। চলতি কথায়, দুষ্কৃতীদের হাতে মার খেয়েছেন সাংবাদিকরা। সাংবাদিকদের মারধর খাওয়া অভিনব নয়, নতুন কিছু নয়। আবহমান কাল ধরেই খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বঙ্গে তথা দেশে-বিদেশে মার খেয়ে আসছেন সাংবাদিকরা। খবর জোগাড় করতে গিয়ে বহু সাংবাদিককে খুন হতে হয়েছে। বিশ্বজুড়ে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে এবং বোঝা যাবে সাংবাদিকদের প্রহৃত হওয়ার একটি বা দুটি ঘটনা বিক্ষিপ্ত নয়। এ যেন হিমশৈলের চূড়ামাত্র। সাংবাদিকরা অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু, তাঁদের সংগ্রহ করা এবং পরিবেশিত সংবাদ পছন্দ না হলেই তাদের নিগ্রহ করা হয়। অথচ সাংবাদিকরা মার খাওয়ার পরে ইদানিং সাংবাদিকদেরকেই যেন দোষ এরকম এক তত্ত্ব নেটিজেন মহলে প্রচার পাচ্ছে। বাস্তবে কী তাই? সাংবাদিক নিগ্রহের জন্য দায়ী প্রকৃতপক্ষে কারা? সাংবাদিকদের অপরাধ বা দোষ কোথায়? বঙ্গে বাস্তব ও তথ্য কী বলছে? সাংবাদিকদের মারধর করে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার পরিণতি কী?
সাংবাদিকরা কতটা সুরক্ষিত জানতে দেশ ও বিদেশের কিছু তথ্য সামনে আনা যাক। গত বছর অক্টোবরে প্রয়াগরাজে দিনের আলোয় ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় এক সাংবাদিককে। হইচই পড়ে যায়, কিন্তু জানলে অবাক হতে হবে যে ১৯৯২ সাল থেকে ভারতে ৬০ জনের বেশি সাংবাদিক খুন হয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ জার্নালিস্ট (IFJ) এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৩ সাল থেকে হিসেব ধরলে, Committee to Protect Journalists (CPJ) এর তথ্য অনুযায়ী, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (CPJ) এর মতে, “২০২৪ সাল পর্যন্ত বিশ্বে অন্তত ৪, ৯৩৪ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।” সাংবাদিকদের খুন হওয়া যেখানে বিরল নয়, সেখানে সাংবাদিকদের উপরে প্রাণঘাতী আক্রমণ ও মারধর খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। সাংবাদিক আক্রমণের ছবি বঙ্গে একদমই বিরল নয়।
রাজ্যের চিত্র তুলে ধরা যাক। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলা আরও একবার সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তার কঙ্কালসার চেহারা সামনে আনলেও দুষ্কৃতী বা শাসক বা বিরোধী দলের ছত্রছায়ায় থাকা আক্রমণকারীদের সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণের সময় প্রশাসন বা বিরোধীদলের নেতৃত্বের ‘নীরব দর্শকের’ ভূমিকা যেন এক অলিখিত দস্তুর হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাম কা ওয়াস্তে কখনও একবার হয়তো বলা হয় – ‘সাংবাদিকদের মারা ঠিক নয়। ওরা গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হোক। ‘ ব্যাস এখানেই শেষ। আবার যেই কে সেই। ট্র্যাডিশন চলিতেছে বইকি!
প্রতিটি বৈদ্যুতিন বা সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের উপর বিভিন্ন সময় আক্রমণ হয়েছে। সময় কলকাতার সাংবাদিকদের উপরও আক্রমণ হয়েছে বারবার। ২০২২ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে জলপাইগুড়ির বানারহাট থানার নাথুয়ার বানিয়া পাড়া চৌরাস্তা উচ্চ বিদ্যালয়ে সময় কলকাতার প্রতিনিধি সানি রায়, আর্থিকা দত্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। ২০২৪ সালে বারাসাতে আক্রান্ত হন দীপ সেন। বনগাঁয় আক্রান্ত হয়েছেন উৎসব মণ্ডল। পূর্ব বর্ধমানে আক্রান্ত হন সময় কলকাতার প্রতিনিধি সুজয় ভট্টাচার্য। দেশ – বিদেশ এবং রাজ্যজুড়ে সাংবাদিকদের উপরে বিভিন্ন সময় যে আক্রমণ চলেছে তার রেশ সময় কলকাতার উপরেও পড়েছে। বলাই বাহুল্য, এই ঘটনাগুলি বাস্তব পরিস্থিতির সামান্য অংশ ও খণ্ডচিত্রমাত্র।
যুগে যুগে দেখা গিয়েছে, পরিবেশিত খবর পছন্দ না হওয়ায় গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভকে বারবার আঘাত করা হয়েছে। অথচ, সাধারণভাবে সাংবাদিক প্রহৃত হলে বা খুন হয়ে গেলে সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। সাংবাদিক প্রহারের রেওয়াজ দুটি ভিন্ন আঙ্গিকে ঘটে থাকে। একদিকে অপরাধী বা দুষ্কৃতীদের নিগ্রহের শিকার হন সাংবাদিকরা। বিভিন্ন দুষ্কর্মের পর্দা ফাঁস করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হয় সাংবাদিকদের। আবার, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পছন্দসই খবর পেশ না করতে পারলেই আপত্তির কারণ হয়ে উঠে প্রহৃত হতে হয় তাঁদের।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অভিযুক্ত এবং অপরাধীদের অপরাধ যেন সামনে না আসে সেজন্য সাংবাদিকদের আক্রমণ করা হয়েছে প্রায়শই। সত্যি সামনে এলেই যে মুশকিল। খুনি, ধর্ষক বা তাঁদের সাগরেদ বা আত্মীয় পরিজন সত্যিকে চাপা দিতে সাংবাদিকদের আক্রমণ করেছেন এরকম নজির ভুরি ভুরি। কিন্তু রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকা দুষ্কৃতীদের দাপট বেশি। রাজনৈতিকভাবে পছন্দের খবর পরিবেশন না করলে সাংবাদিকরা অবধারিতভাবে রোষানলে পড়বেন। সাংবাদিকদের অধিকাংশ ক্ষেত্রে করণীয় কিছুই থাকে না। সাংবাদিকদের কি একেবারেই দোষ নেই।
এনিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই সাংবাদিকরা নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়ুল মারছেন। সামনে থেকে কুড়ুল মারছেন, পেছন থেকে কুড়ুল মারছেন। কিছুক্ষেত্রে পেছন থেকে কুড়ুল তাঁরা নিজেদেরকেই মারেন কারণ তাঁরা সংগঠিত নন। একাধিক সময় একজন সাংবাদিক নিগৃহীত হলে সাংবাদিক কুল দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। সাংবাদিকদের মধ্যে থেকে প্রশ্ন ওঠে, যারা এখন মার খাচ্ছেন তারা অন্য সাংবাদিক মার খাওয়ার সময় নীরব ছিলেন কেন? বঙ্গের কথা ধরা যাক। সাংবাদিকদের একাংশের অভিযোগ, তথাকথিতভাবে বিখ্যাত বৈদ্যুতিক মাধ্যমের বা বিখ্যাত সংবাদপত্রকে অতীতে অন্য সংস্থার সাংবাদিক মার খেলে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে এবং তখন তাঁদের মধ্যে যুক্তিহীন শীতলতা কাজ করে। ফলে বিশেষ কিছু সংস্থার বিরুদ্ধে অন্য সাংবাদিকদের প্রতি সহমর্মিতা জনিত অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকদের বিরাট অংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এটা হল পেছনের দিকের কুড়ুল। এর অর্থ এরকম নয় যে একজন সাংবাদিক প্রহৃত হলে আরেকজন সাংবাদিক তা সমর্থন করেন। সমস্যা, তাঁরা একজোট হয়ে প্রতিবাদের। সামনের দিকে কুড়ুল আবার বিক্ষিপ্ত। দুয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা তুলে ধরে কিভাবে সাংবাদিকরা নিজেদের নিজেরাই আঘাত করার ক্ষেত্র প্রস্তুত করছেন। সম্ভবত সত্যপ্রকাশ এবং আত্ম সমালোচনার সময় এসেছে। কেন নেটিজেন মহল বারবার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশ্ন তোলে বা তোলার অবকাশ পায়? বিষয়টির গভীরে ঢুকলে ভয়াবহ সত্য সামনে আসবে। চিত্র পরিষ্কার হওয়া দরকার যে, দুচারজন সাংবাদিকদের কৃতকর্মের দায় সমগ্র সাংবাদিক মহলের দায় হতে পারে না।
উদাহরণ টানা যাক। সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের বাংলা চ্যানেলের এক সাংবাদিকের ছবি ভাইরাল হয়েছে। তাঁকে বঙ্গের বিরোধী দলনেতার মিছিলে হাঁটতে হাঁটতে অফিসের বুম হাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ নেই যে, সংবাদমাধ্যমের অর্থের যোগান দিতে সংবাদমাধ্যমকে রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন নিতে হয়। সংবাদমাধ্যম চালাতে অর্থের প্রয়োজন হয় অনেক ক্ষেত্রেই সংবাদ পরিবেশন করার সময় বিশেষ রাজনৈতিক দলের সংবাদ গুরুত্ব সহকারে পরিবেশন করতে হয়। তথাপি কোনো সংবাদ মাধ্যম-ই রাজনৈতিক দলের মুখ হয়ে উঠতে পারে না এবং তার সংস্থার সাংবাদিককে মিছিলের মুখ হয়ে উঠতে নির্দেশও দেয় না। বিরোধী দলনেতার মিছিলে সামিল সাংবাদিকের স্লোগান সাংবাদিকের নিরপেক্ষতা ও অবস্থান সেক্ষেত্রে সাংবাদিকতার ভিতে আঘাত করে। শুধু এই একটি ক্ষেত্রেই নয়, সাংবাদিকদের অবস্থানে ভিন্নভিন্ন অভিমুখও রয়েছে।একাধিক সাংবাদিককে আপত্তিজনকভাবে সরাসরি রাজ্যের শাসক দল বা বিরোধী দলের স্তুতিবাদ করতে শোনা গিয়েছে। সম্প্রতি, নিজের সাংবাদিক সত্ত্বাকে ক্ষুন্ন করে এক সাংবাদিককে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করতে। কিন্তু এই চিত্রগুলি বিক্ষিপ্ত। দু- এক জন সাংবাদিকের সাংবাদিকতার রীতি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড দিয়ে আপামর সাংবাদিকদের বিচার করা সম্ভব নয়। এই চিত্রগুলি ব্যতিক্রমী, অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। সাংবাদিকরা আক্রান্ত হওয়ার জন্য এই দু একটি ঘটনা দায়ী হতে পারে না।
বাস্তবে সাংবাদিকরা অনেকাংশেই অপ্রিয় কারণ সত্যি কথা অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রিয়। সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশের স্বার্থে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাজের তথ্য জানতে চাইতে পারেন। একথা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই সাধারণভাবে কোন সাংবাদিক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ। তাঁদের হাউসের সঙ্গে একজন পেশাগত ভাবে সাংবাদিকের অবস্থান গুলিয়ে ফেলার কোনও অবকাশ নেই। ক্ষেত্রবিশেষে একই সাংবাদিক ভিন্ন ভিন্ন দলের বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয় খোলসা করতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলির আপত্তির কারণ হয়ে ওঠেন। সত্য হল, সাংবাদিকরা কাউকে খুশি করতে কাজ করেন না। আর এজন্যই আক্রমণ নেমে আসে।
বাস্তবে যুগে যুগে ক্ষমতার অলিন্দে থাকা দলের নেতারা যা যা কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন তার অনেক কিছুই প্রশ্নের উর্ধ্বে নয়। একাধিক বিষয় নিয়ে বারবার মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ মানুষের কন্ঠ হয়ে নির্ভীকভাবে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিকরাই।
সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে সংগ্রহ করেন । অথচ রাজনৈতিক দলের নেতারা সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই উস্কানিমূলক মন্তব্য দিয়ে থাকেন অনায়াসে যার ফলে তাদের কাজ করার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বঙ্গের বিরোধী দলনেতাকে বারবার দেখা গিয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করতে এবং চ্যানেলের নাম ধরে ধরেও তিনি দলীয় কর্মীদের সজাগ করেন। মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বেলডাঙায় সাংবাদিক প্রহৃত হওয়ায় প্রতিবাদ করেছেন। তবুও তাঁকেও বিগত দিনে সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী বা বিরোধী দলনেতা কি একজন সাংবাদিকের অধিকার বা কর্তব্য বেঁধে দিতে পারেন? রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের খুশি করার দায় দায়িত্ব সাংবাদিকদের নয়। অথচ রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা মনে করে থাকেন অর্থের বা ক্ষমতার জোরে এবং তাদের অঙ্গুলী হেলনে সবকিছুই আবর্তিত হবে। সাংবাদিকরা কোন খবর করবেন যেন তাঁরা স্থির করে দেবেন! কিন্ত শাক দিয়ে মাছ ঢাকা কি সম্ভব? প্রকৃত বাস্তব হল সত্যকে চাপা দেওয়া বা পছন্দসই খবর না করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সত্যকে মিথ্যায় পরিণত করা যায় না। সাংবাদিকদের মারধর করে সত্য এবং আমজনতার বক্তব্যকে চাপা দেওয়া যায় না। ইতিহাস এর সাক্ষী।
একদা শাসক দলের বাম নেতারাও এই ভুল করেছিলেন, তাঁরা বাহুবলে সংবাদ মাধ্যমকে চুপ করাতে চেষ্টা করেছিলেন। প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমকে চোখ রাঙিয়েছিলেন একাধিক বাম নেতা। ইতিহাস সাক্ষী, তাঁরা আজ অন্তরালে, তাঁরা আজ নখদন্তহীন । তাঁদের অনুগ্রহধন্য হাতেগোনা সাংবাদিকরাও আজ নেই অথবা তাঁদের অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। কালের প্রবাহে ভেসে গিয়েছে উদ্ধত কর্মকাণ্ড। সত্যি চাপা পড়ে নি। সঠিক সংবাদ প্রকাশ করে সেদিন তাঁদের চক্ষুশুল সাংবাদিকরা স্বমহিমায় আছেন। সাংবাদিকদের মারধর করে, রক্তপাত ঘটিয়ে তাঁদের কণ্ঠরোধ করা সম্ভব হয়নি।
সাধারণ মানুষের অধিকার, চাওয়া পাওয়া, তাঁদের বিরুদ্ধে অন্যায় প্রকাশের গণতান্ত্রিক রূপ সংবাদ মাধ্যম। ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রাজনৈতিক প্রভাবও ক্ষণস্থায়ী। মানুষের অধিকার চিরস্থায়ী। মানুষের কথাই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়। আক্রমণ, নিপীড়ন বা মারধর করে সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা যুগে যুগে হয়েছে, হবেও। তা দিয়ে সত্য চাপা পড়বে কি?
সাংবাদিক নিগ্রহ #সাংবাদিক নিগ্রহ


More Stories
তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের ভাবমূর্তি সমূলে ধ্বংস করে বড় জয় বিজেপির
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক : মমতা কি রক্ষাকবচ পেলেন?
বালাসাহেব-উদ্ধব ও একনাথই কি যথাক্রমে মমতা – অভিষেক ও ঋতব্রত?