Home » আর্থিক বঞ্চনার দাবিতে রেড রোডে ধর্নায় মমতা

আর্থিক বঞ্চনার দাবিতে রেড রোডে ধর্নায় মমতা

সময় কলকাতা ডেস্ক,২৯ মার্চঃ কেন্দ্রীয় আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে বুধবার আম্বেদকর মূর্তির সামনে ধর্নায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিন সময়মত ঠিক দুপুর ১২টায় আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ধর্না মঞ্চে বুধবার ও বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামীকাল ধর্না দেবেন তিনি। এদিন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও মঞ্চে দেখা গিয়েছে বীরবাহা হাঁসদা, ইন্দ্রনীল সেন, জ্যোৎস্না মান্ডি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, সুজাতা মণ্ডল,অরূপ রায় সহ একাধিক নেতা মন্ত্রীকে। এদিকে এদিনই শহিদ মিনারে সভা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ঠিক তার উল্টো দিকে চলছে ডিএ আন্দোলেনকারীদের ধর্না।

আরও পড়ুন    মধ্যাহ্নভোজে বানিয়ে ফেলুন কুচো চিংড়ি ভর্তা!

আবার একই দিনে তিলোত্তমার রাজপথে নামছে বাম-কংগ্রেস। ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করা চলবে না, এই টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই এদিন দুপুরে মৌলালির রামলীলা পার্ক থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে বামেরা। আর এই মিছিলে যোগ দেবেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরা। অন্যদিকে, রাজ্যের দূর্নীতির প্রতিবাদে শ্যামবাজারে কর্মসূচি বিজেপির। শ্যামবাজারে দলীয় ধর্না মঞ্চে হাজির সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কেন্দ্রের নীতির বিরুদ্ধে দিল্লিতে ধর্নায় তৃণমূল সাংসদরা।

এদিকে মঙ্গলবার শহিদ মিনারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। যদিও এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা র শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সভার জন্য বেশকিছু শর্ত দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে এই মামলার শুনানিতে দীর্ঘ সওয়াল জবাবের পর বিচারপতি সভা করার অনুমতি দেন। নির্দেশ দেওয়ার সময় তিনি কিছু শর্তের কথাও জানান। আদালত জানায়, ‘পুরো সভায় সিসিটিভি নজরদারি করতে হবে। সেই সঙ্গে ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। শহিদ মিনার ময়দানে যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে তা নিশ্চিত করবে পুলিশ।

আরও পড়ুন   পুসকাস ও সুনীল ছেত্রী

ডেপুটি কমিশনার ও জয়েন্ট কমিশনারকে নজর রাখতে বলেন শুধু তাই নয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবেন। জনসভা যেখানে হবে সেখানে বাঁশ দিয়ে পুরো জায়গা ঘিরে দিতে হবে। একদিনের অনুষ্ঠান হলেও সেখানে আগে থেকেই যাঁরা অবস্থান আন্দোলন করছেন তাঁদের কোনওভাবেই বিরক্ত করা যাবে না। সভা থেকে কোনও উস্কানিমূলক বক্তব্য পেশ করা যাবে না। সভার পরে সভাস্থল পরিষ্কার করতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করতে হবে। সভা হয়ে গেলে ব্যারিকেড খুলে ফেলতে হবে।


যদিও এই মামলার শুনানিতে মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘শহিদ মিনারে সামনে লাগাতার যৌথ মঞ্চের আন্দোলন চলছে। সেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানেই সভা করছে তৃণমূল।’ অন্যদিকে,রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায় বলেন, জানুয়ারি মাস থেকেই ডিএ আন্দোলনকারীরা ওখানে আন্দোলন করছেন। সেখান থেকে ১১০ মিটার দূরে এই রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। পুলিশ যথেষ্ট তৎপর। তিনটি গেট করা হয়েছে। সভাস্থল পুরো ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরা হয়েছে। সভা করার অনুমতি সেনাও দিয়েছে। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না হয় তার জন্য তৈরি পুলিশ।

About Post Author