সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ জুলাইঃ পিছিয়ে গেল ‘ইন্ডিয়া’ জোটের হাইভোল্টেজ তৃতীয় বৈঠক। জানা গিয়েছে,মুম্বইয়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের তৃতীয় বৈঠক হতে পারে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। এই তৃতীয় বৈঠকের আয়োজনের দায়িত্বে থাকবেন উদ্ধব ঠাকরে এবং শরদ পওয়ার। বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠকের পরই ঠিক হয়েছিল যে, আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ২৫-২৬ তারিখে মুম্বইয়ে ফের বৈঠকে বসা হবে। কিন্তু সেসময় জোটের বেশ কয়েকজন নেতা সময় দিতে পারছেন না। কার্যত সেকারণে ওই মেগা বৈঠক পিছিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে করা হতে পারে বলেই জানা গিয়েছে।

এর আগে নীতীশ কুমারের ডাকে বিহারে আয়োজিত হয়েছিল প্রথম বৈঠক। এরপর বেঙ্গালুরুতে জুলাই মাসে আয়োজিত হয় বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠক। সূত্রের খবর, শরদ পওয়ার, উদ্ধব ঠাকরেদের আয়োজনে বৈঠকে অংশ নিতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও জোটের অন্যান্য মুখ্যমন্ত্রীরাও মুম্বইয়ে যাবেন। মুম্বইয়ের বৈঠকে বিরোধী জোটের আহ্বায়ক কে হবেন, খুব শীঘ্রই তা ঠিক করে ফেলা হবে। লড়াইয়ে আছেন প্রবীণ নেতা শরদ পওয়ার এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সহ আরও কয়েকজন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে মুম্বইয়ে এই তৃতীয় বৈঠকে।
আরও পড়ুন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, চিকিৎসা নিয়ে আলোচনায় নয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড

এদিকে, গত সপ্তাহেই ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দ্বিতীয় বৈঠকে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনার জন্য গৃহীত হয় লোকসভায়। কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ বুধবার ২৬টি বিরোধী দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র তরফে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন। স্পিকার সেই আলোচনার অনুমোদন দেন। স্পিকার জানিয়েছেন তিনি আলোচনার তারিখ পরে জানিয়ে দেবেন। সংসদ সূত্রে খবর, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি আলাদা করে একটি অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, নিয়ম হল ৫০ জন সাংসদ মিলে প্রস্তাব জমা করলে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। ১০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে জানাতে হবে আলোচনার তারিখ। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে কারণে বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে ঠিক একই কৌশল মাথায় রেখে সরকারও তাতে আলোচনায় সাড়া দিচ্ছে। বিরোধীরা চেয়েছিল সরকার যাতে মনিপুর প্রসঙ্গ এড়িয়ে একতরফা ভাবে ৩১টি বিল পাস করিয়ে নিতে না পারে। অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনা হলে সংসদের নেতা তথা সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দেওয়াটা সংসদীয় রীতি। ফলে নরেন্দ্র মোদি মণিপুর নিয়ে নীরব থাকলেও অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনার উপর জবাবে ভাষণে তাঁকে উত্তর পূর্বের ওই রাজ্যটির বিষয়ে বলতে হতে পারে।


More Stories
ঋতব্রতদের সম্পর্কে কুণাল ঘোষের বক্তব্য কেন তাৎপর্যপূর্ণ?
অভিষেকের উপর হামলার নেপথ্যে কারা?
অভিষেকের পরে কল্যাণ