সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ মেঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে এবার বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের ১৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি(ED)। শুক্রবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে, সন্দেশখালিকাণ্ডে কলকাতার ১৭ টি ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়াও সাড়ে ১০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন ইডি। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের পাশাপাশি তাঁর ভাই শেখ আলমগির, শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আবদুল আলিম মোল্লা, শিবপ্রসাদ হাজরা-সহ অন্যদের স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তিও আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩৮.৯০ বিঘা জমি। যার বাজারমূল্য ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ইডি আধিকারিকরা একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন আদালতে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চিংড়ির ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান। জানা গিয়েছে, চিংড়ি মাছের রফতানির কাজ করা দুটি সংস্থার মাধ্যমে শাহজানের সংস্থায় ওই পরিমাণ টাকা ঢুকেছিল। ইতিমধ্যেই সেই টাকা লেনদেনের নথিও সংগ্রহ করেছে ইডি। ইডির দাবি, ভুয়ো ভেড়ির মালিকদের কাছ থেকে মাছ কেনার নামে চলত কালো টাকা সাদা করার কাজ। এসকে সাবিনা নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করত। তারা ভুয়ো ভেড়ি মালিকদের কাছ থেকে মাছ কিনত।

তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীর দাবি, আদিবাসীদের জমি দখলদারি সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ডও ছিলেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’। শাগরেদদের সামনে রেখে চলত সেই দখলদারিও। আর সেই কাজ করত শেখ শাহজাহান ও তাঁর অনুগামীরা।
এর আগে রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইডি আধিকারিকরা শাহজাহানের দুটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। জানা গিয়েছে, একটি অ্যাকাউন্টে ৩১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছিল। ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টেও বিপুল লেনদেনের হদিশ মিলেছে। ইডির দাবি, ২০১২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাহজাহানের সঙ্গে কলকাতার চিংড়ি রপ্তানিকারক সংস্থাটির দু’ দফায় ১০৪ কোটি ও ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ১৩৭ কোটি। এছাড়াও ২০২১ ও ২২ সালে আরও ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকার লেনদেনের হদিশও মিলেছিল।
#SheikhShahjahan
#শেখ শাহজাহান
#ইডি
#শেখ আলমগির
#SandeshkhaliIssue
#Latestbengalinews


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?