Home » উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ের ঘটনায় স্থগিত উদ্ধারকাজ, ফের ধসে পড়ল পাহাড়

উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ের ঘটনায় স্থগিত উদ্ধারকাজ, ফের ধসে পড়ল পাহাড়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ ডেস্ক: উত্তরকাশীর উদ্ধারকাজে ফের বিপত্তি। ঘটনার ছয়দিন পেরিয়ে গেলেও ৪০ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তারই মধ্যে উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত অগার মেশিনের উপরে ধসে পড়েছে পাহাড়ের একটি অংশ।  যার কারণে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ের ঘটনায় স্থগিত উদ্ধারকাজ। শনিবার সকালে থামিয়ে দিতে হল উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে আনানো অগার মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পরই ২৫ টনের আরও একটি অগার মেশিন ইন্দোর থেকে দেহরাদুনে নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে এই মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর। এর আগে গত বুধবারও ভূমিধস নামার কারণে ব্যহত হয়েছিল উদ্ধার কাজ।  

ভারতীয় বায়ু সেনার তরফে তিনটি বিশেষ বিমানে করে ২৫ টনের পাইপ পাঠানো হয়েছিল শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য। এমনকী শ্রমিকদের সুরঙ্গ থেকে উদ্ধার করার জন্য থাইল্যান্ড ও নরওয়ের বিশেষ উদ্ধারকারী দলের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। দিল্লি থেকে বায়ু সেনার বিশেষ বিমানে আনা হয়েছিল অগার মেশিন। এই মেশিন মাত্র এক ঘণ্টাতেই চার থেকে পাঁচ মিটার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ খনন করতে পারে।উল্লেখ্য, দীপাবলির দিন উত্তরকাশীর নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ ধস নামে। টানেলের প্রবেশ পথ থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে এদিন ধস নামে। আর তাতেই ঘটে যায় বিপত্তি। ধসের জেরে ভিতরে আটকে পড়েছেন কমপক্ষে ৪০ জন শ্রমিক। শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ। সেইসঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশকর্মীরাও। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন   ওয়েস্টব্যাঙ্কে হামাসের ৭ সক্রিয় সদস্যকে হত্যার দাবি করল ইজরায়েলের সেনারা

গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, রবিবার উত্তরকাশীর ওই টানেলের প্রবেশ পথ থেকে প্রায় ২৮০০ মিটার ভিতরে শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। সেসময় ধস নামে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে এসডিআরএফ-এর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং জীবন রক্ষার্থে পাইপে করে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেন, ‘ ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি সবাই যেন সুস্থভাবে ফিরে আসেন।’ ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তরকাশীর এসপি অর্পণ যদুবংশী জানান, যমুনোত্রী ন্যাশনাল হাইওয়েতে, সিল্কিয়ারা থেকে ডান্ডালগাঁও পর্যন্ত টানেলটি তৈরি করা হচ্ছিল। ওই টানেল নির্মাণ করছে এইচআইডিসিএল। ওই টানেলের শুরুর প্রায় ২০০ মিটার দূরে টানেলটি ভেঙে গিয়েছে।

About Post Author