Home » অভিনেত্রী জয়া প্রদাকে গ্রেফতারের নির্দেশ, ‘পলাতক’ ঘোষণা উত্তরপ্রদেশ আদালতের

অভিনেত্রী জয়া প্রদাকে গ্রেফতারের নির্দেশ, ‘পলাতক’ ঘোষণা উত্তরপ্রদেশ আদালতের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ ফেব্রুয়ারিঃ নির্বাচন বিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত দু’টি মামলায় অভিনেত্রী তথা রাজনীতিবিদ জয়া প্রদাকে হাজিরার জন্য তলব করেছিল উত্তরপ্রদেশের রামপুরের একটি আদালত। উত্তরপ্রদেশের রামপুরের প্রাক্তন সাংসদ জয়া প্রদার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যেই ‘পলাতক’ তকমা দিয়ে জয়া প্রদার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়নাও জারি করা হয়। একাধিকবার হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার পর এবার কড়া পদক্ষেপ নিল আদালত। জয়া প্রদাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করেছে উত্তরপ্রদেশের আদালত। আগামী ৬ মার্চের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

আরও পড়ুন  রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম পান্ডা সান্থানের মৃত্যু

জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে জয়ার বিরুদ্ধে। সে সময় কেমারি ও সোয়ার থানায় দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর একাধিকবার তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে বিশেষ এমপি-এমএলএ কোর্ট। কিন্তু অভিনেত্রী হাজিরা দেননি। তাঁর বিরুদ্ধে পরপর সাতবার জামিন অযোগ্য পরোয়ানাও জারি হয়। কিন্তু তাঁকে আদালতে পেশ করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, জয়ার মোবাইল ফোন সুইচড অফ রয়েছে। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। রামপুরের আদালতের বিচারক শোভিত বনসাল জয়াকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার এই মামলা আদালতে উঠলে বিচারক শোভিত বনসল জয়া প্রদাকে ‘পলাতক’ বলে ঘোষণা করেছেন। রামপুরের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সার্কেল অফিসারের নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করতে হবে । সেইসঙ্গে আগামী ৫ মার্চের মধ্যে জয়া প্রদাকে গ্রেফতারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

প্রসঙ্গত, হিন্দি সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া প্রদা। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে ১৯৯৪ সালে তেলুগু দেশম পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন জয়া প্রদা। পরে তিনি রাজ্যসভার পাশাপাশি লোকসভার সদস্য হয়েছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রামপুর থেকে বিজেপি প্রার্থী ছিলেন অভিনেত্রী জয়া প্রদা। সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের কাছে হেরে যান তিনি। এর আগে ২০০৪ ও ২০০৯ সালে ওই রামপুর কেন্দ্রে থেকেই সমাজবাদী পার্টির টিকিটে লড়েছিলেন তিনি। পরে সমাজবাদী পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে।

About Post Author