সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ মেঃ দেশজুড়ে শুরু চতুর্থ দফার লোকসভা নির্বাচন। এই দফায় পশ্চিমবঙ্গের আটটি আসন- কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বীরভূম, বোলপুর, বহরমপুর, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান দুর্গাপুর, আসানসোলে ভোটগ্রহণ চলছে। এই ৮ টি কেন্দ্রে ৭৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। সাত সকালেই রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টরা পৌঁছে গিয়েছেন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে। সকাল থেকেই রানাঘাট, বীরভূম, বোলপুর, বহরমপুর, বর্ধমান পূর্ব, আসানসোল থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছে। তারই মধ্যে ভোটের আগের রাতেই কেতুগ্রাম যেন আতঙ্কপুরী। কেতুগ্রাম হল, বোলপুরের লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি বিধানসভা এলাকা। কেতুগ্রামের চেঁচুড়ি গ্রামে ধারাল অস্ত্র এবং পরে বোমা মেরে খুনের অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল কর্মীকে। নিহতের নাম মিন্টু শেখ। তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় আরও একজন জখম হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

এই ঘটনার নেপথ্যে সিপিএম রয়েছে বলেই দাবি তৃণমূল নেতা তথা বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের। সোমবার অর্থাৎ ভোটের দিন সকাল থেকেই কেতুগ্রামের খুনের ঘটনায় উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। কমিশনের দফতরে অভিযোগও জমা পড়েছে। মৃতের স্ত্রী তুহিনা খাতুনের দাবি, এই খুনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই তাঁর স্বামীকে লোক দিয়ে খুন করানো হয়েছে বলেই তাঁর অভিযোগ।
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পুলিশের কাছে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। খুনের ঘটনায় এখনও অবধি ২ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন মিন্টু শেখ। পথেই তাঁর উপর হামলা শুরু হয়। এরপর রাস্তার পাশে একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় তাঁকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ভোটের আবহে গোটা এলাকাজুড়ে উত্তেজনা শুরু হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
#Ketugram Murder
#latestbengalinews


More Stories
গজরাজদের খিদে পায়, হাতি কাহা কাহা চলে !
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি