সময় কলকাতা ডেস্ক: ১৬ জুনঃ শুক্রবার সন্ধ্যায় বসিরহাট থানার অন্তগর্ত পিফা বাজার এলাকায় দোকানে ঢুকে তৃণমূল কর্মী আলতাফ মালিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, আহত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম আলতাফ মালি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুধু হয়েছিল রাজনৈতিক চাপানউতোরও। এবার তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার এক। বসিরহাট থানার পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম জিয়ারুল গাজি। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত আইয়ুব গাজি সহ মোট চার জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বসিরহাট থানায়। এই চারজনের মধ্যে জিয়ারুল গাজির নাম ছিল। গুলিকাণ্ডে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে জারি রয়েছে তল্লাশি। এদিকে, গুলি করে পালানোর সময় দুষ্কৃতীরা একটি বোমা ভর্তি ব্যাগ রেখে পালায় বলেও অভিযোগ। ইতিমধ্যেই তা সিসিটিভি ফুটেজ মারফত দেখা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজে গুলি করে যাঁকে পালাতে দেখা গিয়েছে তাঁর নাম আয়ুব গাজি। এর আগে গুলি চালিয়ে খুনের ঘটনায় আয়ুব পাঁচ বছর জেল খেটেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে বসিরহাট থানার পুলিশ। আয়ুবকে খুঁজে বার করতে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন বর্ষার তাণ্ডবলীলায় বিপর্যস্ত সিকিম সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গ, আটকে দুই হাজারের বেশি পর্যটক, জারি উদ্ধারকাজ
প্রসঙ্গত, শুক্রবার পিফা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁশতলা এলাকায় ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ আলতাফ মালিকে ঘিরে ধরেছিল কয়েকজন দুষ্কৃতী। ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রথমে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং তারপর এক রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই তৃণমূল কর্মী। একটি গুলি ওই তৃণমূল কর্মীর ডান কোমরের পাশে লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। গুলির আওয়াজ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসতেই দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তাদের হাতে একটি বোমার প্যাকেট ছিল। দুষ্কৃতীরা ওই বোমার প্যাকেট নিক্ষেপ করে এলাকা ছাড়ে বলে জানা গিয়েছে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে সেখান থেকে কলকাতায় আর জি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আপাতত তিনি হাসপাতালে ভর্তি এবং অস্ত্রোপচার করে তাঁর দেহ থেকে গুলি বার করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, দুষ্কৃতীরা প্রত্যেকেই বিজেপি আশ্রিত। এই ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে তৃণমূল। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সভাপতি পলাশ দাস বলেন, ‘এই ঘটনায় রাজনৈতিক দলের কোনও যোগ নেই। দোষীদের খুঁজে বার করে শাস্তি দেওয়ার জন্য পুলিশের উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত।‘
#Latestbengalinews


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?