সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৫ জুলাইঃ ফের প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির পাশাপাশি বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের মারধরের অভিযোগ অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। তৃণমুলের দুই শিবিরের জমায়েত থেকে উত্তেজনা ছড়ায় খানাকুল-১ পঞ্চায়েত সমিতির অফিসের বাইরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডগঠন তৃণমূল করার পর থেকেই পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নইমুল হক ওরফে রাঙা গোষ্ঠীর সঙ্গে খানাকুল ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি দিপেন মাইতি গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। দীপেন অনুগামী বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মাইতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী কমিটি ভেঙে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী কমিটি টিকিয়ে রেখে পঞ্চায়েত সমিতিতে নিজের একাধিপত্য ধরে রাখতে মরিয়া নইমুল হক ওরফে রাঙা।

কার্যত সেকারণেই এদিন খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতির মিটিং হলে একটি বৈঠক ডাকা হয়। ওই বৈঠকেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৈঠকে তীব্র বাদানুবাদ হয়। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মাইতির মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। অন্যদিকে, রাঙা গোষ্ঠীর হাতে আক্রান্ত হয়ে মিটিং স্থল থেকে বেরিয়ে আসেন এক সদস্ত তাপস ঘোষ। তাঁকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর পোশাক পরিচ্ছদ ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই পঞ্চায়েত সমিতির বাইরে দুই গোষ্ঠীর কয়েকশো লোক জমায়েত হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। এদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পঞ্চায়েত সমিতির অফিস চত্বরে বিশাল পুলিশবাহিনী ও র্যা ফ মোতায়েন করা হয়। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশসুপার কৃশানু রায়, আরামবাগ এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী, আরামবাগ থানার আই সি রাকেশ সিং।
#Latestbengalinews


More Stories
মমতা -অভিষেককে ৩০ হাজার করে ভোটে হারাতে না পারলে নাকখত দেবেন হুমায়ুন কবীর
ভাষা-সন্ত্রাস : মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিজেপি
আইনশৃঙ্খলার পাঠ : বিহারের কাছে কি পশ্চিমবঙ্গকে শিখতে হবে ?