সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ অক্টোবরঃ “পথ ভাবে আমি দেব, রথ ভাবে আমি; মূর্তি ভাবে আমি দেব, হাসে অন্তর্যামী!” কে পথ, কে রথ, কেই বা মূর্তি? শহরের বড়বড় সোনা বিক্রেতা ‘ব্র্যান্ড’ গুলিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অন্তর্যামী হয়ে উঠলেন ঝাড়ু-ঝাটা বিক্রেতারা। কালীপুজোর দুই রাত আগে পূজিত হন ধনলক্ষী। আর এই দিনেই পালিত হয় ধনতেরাশ।এই তিথির শুভ মুহূর্তে সোনা কিনে ঘরে আনতে চান অনেকেই। এই দিনে সোনা কিনলে ভাগ্য খুলে যায় বলে প্রচলিত বিশ্বাস আছে। মঙ্গলবার এই ধনতেরাস উপলক্ষ্যে কমে গিয়েছিল সোনা,রুপোর দামও। তবু সোনা,রুপো বিক্রির পরিসংখ্যানকে চাপিয়ে উচ্চ মাত্রার বিক্রি হল ঝাড়ু,ঝাঁটা! কিন্তু কেন? জেনে নিন…
আরও পড়ুনঃ Kali Pujo 2024: কালীপুজোয় মাটির প্রদীপ জ্বালানোর রীতি সর্বজনীন, তবে কেন প্রচলিত এই প্রথা? জেনে নিন …
ধনতেরাসে কেন কেনা হয় ঝাড়ু, ঝাঁটা?
প্রথমে কলকাতা বসবাসকারী উত্তর ভারতীয় সম্প্রদায়গুলি দীপাবলির আগে ধনতেরাসের দিনে ঝাড়ু,ঝাঁটা কিনত। কারণ এটিকে শুভ বলে মনে করা হয়। তবে এখন এই রীতি সমস্ত হিন্দু নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। বিশ্বাসের করা হয়, যে ঝাড়ু নেতিবাচক উপাদানগুলি দূর করে এবং সমৃদ্ধির জন্য জায়গা তৈরি করে।

কালীপুজোর আগে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে ধনতেরাস উৎসব পালিত হয়। ধনতেরাসের দিনে লক্ষ্মী, ধন কুবের ও ধন্বন্তরী দেবীর পুজো করার রীতি রয়েছে। এদিন সোনা-রূপা সহ বিভিন্ন জিনিস কেনার চল রয়েছে। তেমনই হিন্দু ধর্ম মতে, এই দিনে ঝাঁটা কেনাও শুভ। তাতে শুধু ধনলক্ষী ঘরে আসে। এবং লক্ষির পিছুপিছু আসা অলক্ষি ঝাঁটা দেখে পালিয়ে যায়। গৃহে প্রবেশ করতে পারে না। আর সেই কারণেই শহরে এবছর সেনকো, অঞ্জলী, কল্যাণ জুয়েলার্সের মত বড়বড় সোনার দোকান গুলিকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে মানুষ ভিড় করেছিল ঝাড়ু, ঝাঁটার দোকান গুলোয়। যা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। সমাজ মাধ্যমে এই নিয়ে গোটাদিন বিভিন্নপ্রকার হাস্যকৌতুক পোস্টও করতে দেখা গিয়েছে নেটিজেনদের।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক