সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ অক্টোবর: কলকাতা তথা রাজ্যের সবথেকে বড় সরকারি হাসপাতালে দুষ্কৃতী তাণ্ডব। আরজি কর অবহে যেখানে নিরাপত্তার দাবিতে ধর্মতলায় অবস্থানরত একাধিক জুনিয়র চিকিৎসকেরা, সেখানে আবার নিরাপত্তার প্রশ্নকে উস্কে দিল এসএসকেএমের ঘটনা। জানা গিয়েছে রবিবার সকালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে চালানো হয়েছে এই হামলা। একদল দুষ্কৃতী হকি স্টিক, লাঠি নিয়ে ঢুকে পড়ে হাসপাতালে। এর পর চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মী যাকে হাতের সামনে পেয়েছে বেধড়ক মার মেরেছে। বরিবার সকাল থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন শহরের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীরা।

আরও পড়ুন: ফের গণইস্তফা, কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ৭৭ জন সিনিয়র চিকিৎসকের ইস্তফাপত্র রেজিস্টারকে
রবিবার সকালে ওই দুষ্কৃতীদের দল এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) ঢুকে শুধুমাত্র চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের নয়, মারধর করেছে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষকেও। জানা গিয়েছে তাঁরা সবাই হাসপাতালে চিকিৎসারত রুগীর আত্মীয়। জানা যাচ্ছে, আজ সকাল সকাল প্রায় ৮টার দিকে এসএসকেএম চত্বরে বাইক নিয়ে প্রথমে কিছুটা ঘুরে পরিস্থিতি বুঝে নেন দুষ্কৃতীরা। তারপর আচমকাই ঢুকে পড়েন হাসপাতালের ভিতরে। প্রায় ১০-১৫ জনের একটি দল বাইক নিয়ে হাসপাতালে ঢোকার সময় সেই যুবকদের সকলেরই হাতে ছিল হকি স্টিক এবং উইকেট ছিল। ধারণা করা হচ্ছে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মীয়কে মারতেই এসেছিল দুষ্কৃতীরা। স্থানীয় সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ট্রমা কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসাধীন সেই রোগীর ছেলে সৌরভ মোদক। ট্রমা সেন্টারের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তাঁকেই বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় ওই দুষ্কৃতীরা।
আরও পড়ুন: Baba Siddiqui: দশেরার রাতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত বাবা সিদ্দিকী
হাসপাতালের ভিতরে এধরনের সংঘাত দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এক জুনিয়র ডাক্তার এই বিষয়ে বলেছেন, “মুখ্য সচিব বলেছিলেন ৯০ শতাংশ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই তো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক হয়ে যাওয়ার নমুনা! কলকাতার বুকে বড় সরকারি হাসপাতালে সকাল সকাল দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়ে আবার বেরিয়েও গেল। কেউ কিছু করতে পারল না।”


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
জার্সিতে যৌন অপরাধে প্রাক্তন শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
পাশের ঘরে বাবা-মা তবুও ১২ ঘন্টা ধরে চলেছে যৌন নির্যাতন! ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীর ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত